ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা-পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ ২২ হাজার ৫০ টাকা, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ১২টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মটরা গ্রামের চাঁন মিয়া (৫৪) এবং একই গ্রামের হাফিজুল মাতুব্বর (৩০)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলাদিপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখের কাছে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। কলদাতারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, মোন্নাফ শেখের ছেলেকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে। ছেলেকে মামলা থেকে বাঁচাতে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ভয়ে ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখ কয়েক দফায় তাঁদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে মোট ৫০ হাজার টাকা পাঠান।
পরবর্তীকালে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এবং বাড়িতে গিয়ে ছেলেকে দেখতে পেয়ে ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখ বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা করেন তিনি।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, মামলা তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিকাশের মাধ্যমে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এক প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রাজবাড়ী সদর থানা-পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে নগদ ২ লাখ ২২ হাজার ৫০ টাকা, ৮টি মোবাইল ফোন এবং ১২টি সিমকার্ড উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার কাউলিবেড়া ইউনিয়নের মটরা গ্রামের চাঁন মিয়া (৫৪) এবং একই গ্রামের হাফিজুল মাতুব্বর (৩০)।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলাদিপুর গ্রামের ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখের কাছে একটি অপরিচিত নম্বর থেকে কল আসে। কলদাতারা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে দাবি করেন, মোন্নাফ শেখের ছেলেকে মাদকসহ আটক করা হয়েছে। ছেলেকে মামলা থেকে বাঁচাতে ৭০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। ভয়ে ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখ কয়েক দফায় তাঁদের দেওয়া বিকাশ নম্বরে মোট ৫০ হাজার টাকা পাঠান।
পরবর্তীকালে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে এবং বাড়িতে গিয়ে ছেলেকে দেখতে পেয়ে ব্যবসায়ী মোন্নাফ শেখ বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানায় একটি মামলা করেন তিনি।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, মামলা তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। আসামিদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

আপনার মতামত লিখুন