চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ মাইজ উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করেন।
নিহত মাইজ উদ্দিন ঢাকার লালবাগ থানার রসুলবাগ এলাকার শামসু উদ্দিনের ছেলে। তিনি ঢাকার রসুলবাগ এলাকার একটি জুতার কারখানায় প্রায় ৮ থেকে ৯ বছর ধরে কারিগর হিসেবে কাজ করছিলেন। গত ৯ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহের শরীরে আপাতদৃষ্টে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে চুয়াডাঙ্গায় তিনি কীভাবে এলেন এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চুয়াডাঙ্গার মাথাভাঙ্গা নদী থেকে ৯ দিন ধরে নিখোঁজ মাইজ উদ্দিন (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকালে নদীর পানিতে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন স্থানীয়রা। পরে দুপুরে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি নদী থেকে উদ্ধার করেন।
নিহত মাইজ উদ্দিন ঢাকার লালবাগ থানার রসুলবাগ এলাকার শামসু উদ্দিনের ছেলে। তিনি ঢাকার রসুলবাগ এলাকার একটি জুতার কারখানায় প্রায় ৮ থেকে ৯ বছর ধরে কারিগর হিসেবে কাজ করছিলেন। গত ৯ দিন ধরে তিনি নিখোঁজ ছিলেন।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার হওয়া মরদেহের শরীরে আপাতদৃষ্টে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। তবে চুয়াডাঙ্গায় তিনি কীভাবে এলেন এবং কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মারুফ রহমান বলেন, উদ্ধার হওয়া মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হয়ে নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন