বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল এক কোটি মানুষকে কাজ দেবে। কাজ দিয়েছে ঠিকই, তবে তা হলো তারা এক কোটি মানুষকে চাঁদাবাজ বানিয়েছে।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের পথে বগুড়ার মোকামতলা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। আট দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পরিবহন খাতের চাঁদাবাজির প্রতি ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘পঞ্চগড়, রংপুর, গাইবান্ধা ও বগুড়া থেকে যখন ট্রাকচালক ভাইয়েরা গাড়ি চালিয়ে যান, তখন ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজদের চাঁদা দিতে হয়। এটা কি চাঁদাবাজদের বাপের জমিদারি? আমরা বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ দেখতে চাই না। সব চাঁদাবাজ সরকারি দলের; এগুলো দ্রুত বন্ধ করতে হবে।’
আট দফা দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অনেকে জানতে চান এই লংমার্চ কেন? এই লংমার্চ মূলত ওষুধ দেওয়ার জন্য। আমাদের আট দফা দাবি হলো আটটি ওষুধ। যদি এই ঔষধে কাজ না হয়, তবে সব ওষুধ ফেলে দিয়ে 'এক দফা' আন্দোলন শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই সরকার আট দফা দাবি মেনে নিক এবং ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে যে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছিল, তাকে সম্মান প্রদর্শন করুক।’
হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জনদাবি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওসমান হাদীর হত্যাকারীর বিচার করুন। আমাদের প্রত্যেকটি সন্তানের হত্যার বিচার নিশ্চিত করুন। তরুণদের হাতে কাজ ও কৃষকদের হাতে সার তুলে দিন। তাহলে আমরা আর লংমার্চ করব না।’
সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি এসব দাবি না মানা হয়, তবে আপনারা শুধু লংমার্চই দেখেছেন, বাকিটা এখনও দেখেননি।’

শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিএনপির তীব্র সমালোচনা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগে বলেছিল এক কোটি মানুষকে কাজ দেবে। কাজ দিয়েছে ঠিকই, তবে তা হলো তারা এক কোটি মানুষকে চাঁদাবাজ বানিয়েছে।’
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকা থেকে রংপুর অভিমুখী লংমার্চের পথে বগুড়ার মোকামতলা বাজারে আয়োজিত এক পথসভায় জামায়াত আমির এসব কথা বলেন। আট দফা দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে এই লংমার্চ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
পরিবহন খাতের চাঁদাবাজির প্রতি ইঙ্গিত করে শফিকুর রহমান বলেন, ‘পঞ্চগড়, রংপুর, গাইবান্ধা ও বগুড়া থেকে যখন ট্রাকচালক ভাইয়েরা গাড়ি চালিয়ে যান, তখন ঘাটে ঘাটে চাঁদাবাজদের চাঁদা দিতে হয়। এটা কি চাঁদাবাজদের বাপের জমিদারি? আমরা বাংলাদেশে কোনো চাঁদাবাজ দেখতে চাই না। সব চাঁদাবাজ সরকারি দলের; এগুলো দ্রুত বন্ধ করতে হবে।’
আট দফা দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘অনেকে জানতে চান এই লংমার্চ কেন? এই লংমার্চ মূলত ওষুধ দেওয়ার জন্য। আমাদের আট দফা দাবি হলো আটটি ওষুধ। যদি এই ঔষধে কাজ না হয়, তবে সব ওষুধ ফেলে দিয়ে 'এক দফা' আন্দোলন শুরু হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা চাই সরকার আট দফা দাবি মেনে নিক এবং ৭০ শতাংশ জনগণ গণভোটে যে 'হ্যাঁ' ভোট দিয়েছিল, তাকে সম্মান প্রদর্শন করুক।’
হত্যাকাণ্ডের বিচার ও জনদাবি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, ‘ওসমান হাদীর হত্যাকারীর বিচার করুন। আমাদের প্রত্যেকটি সন্তানের হত্যার বিচার নিশ্চিত করুন। তরুণদের হাতে কাজ ও কৃষকদের হাতে সার তুলে দিন। তাহলে আমরা আর লংমার্চ করব না।’
সরকারকে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তিনি বলেন, ‘যদি এসব দাবি না মানা হয়, তবে আপনারা শুধু লংমার্চই দেখেছেন, বাকিটা এখনও দেখেননি।’

আপনার মতামত লিখুন