ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ছয় বছর পরও সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণ হয়নি। ২০২১ সালের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়ে। অথচ এখনো প্রায় ২৮ হাজার মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে।
প্রায় চার কিলোমিটার সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীরা। ৭০০ ফুটের বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করা শুধু কষ্টকর নয়, ঝুঁকিপূর্ণও। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় সময়ে কোথাও পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এভাবে দীর্ঘদিন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সেটা হতে পারে না।
এলজিইডির বক্তব্য অনুযায়ী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আমরা বলতে চাই, সমন্বয়ের অভাবে বছরের পর বছর একটি জনপদের মানুষ দুর্ভোগ পোহাবেন সেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোন দপ্তরের কোন অনুমোদনে কাজ আটকে আছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করা দরকার।
প্রতাপনগরের মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে প্রয়োজন দৃশ্যমান উদ্যোগ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা দরকার।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকার অবকাঠামো নির্মাণে পরিকল্পনা থাকতে হবে। ভবিষ্যতের ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের মান নিশ্চিত করাও জরুরি।

মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ছয় বছর পরও সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, সেতু ও কালভার্ট পুনর্নির্মাণ হয়নি। ২০২১ সালের ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের জলোচ্ছ্বাসে ক্ষয়ক্ষতি আরও বাড়ে। অথচ এখনো প্রায় ২৮ হাজার মানুষকে ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ও নৌকায় চলাচল করতে হচ্ছে।
প্রায় চার কিলোমিটার সড়ক ও যোগাযোগব্যবস্থা নষ্ট হয়ে যাওয়ায় সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন শিশু, শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীরা। ৭০০ ফুটের বাঁশের সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করা শুধু কষ্টকর নয়, ঝুঁকিপূর্ণও। জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় সময়ে কোথাও পৌঁছানোও কঠিন হয়ে পড়েছে। একটি এলাকার মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা এভাবে দীর্ঘদিন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অথচ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না সেটা হতে পারে না।
এলজিইডির বক্তব্য অনুযায়ী, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া ও অনাপত্তিপত্র না পাওয়ায় পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। আমরা বলতে চাই, সমন্বয়ের অভাবে বছরের পর বছর একটি জনপদের মানুষ দুর্ভোগ পোহাবেন সেটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। কোন দপ্তরের কোন অনুমোদনে কাজ আটকে আছে, তা চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধান করা দরকার।
প্রতাপনগরের মানুষের দুর্ভোগ নিরসনে প্রয়োজন দৃশ্যমান উদ্যোগ। পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে পুনর্নির্মাণের কাজ শুরু করা দরকার।
দুর্যোগপ্রবণ এলাকার অবকাঠামো নির্মাণে পরিকল্পনা থাকতে হবে। ভবিষ্যতের ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙনের ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে সড়ক, সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করতে হবে। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের মান নিশ্চিত করাও জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন