সংবাদ

বনের ভেতর সীসার কারখানা, ব্যবস্থা নিন


প্রকাশ: ৫ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩০ এএম

বনের ভেতর সীসার কারখানা, ব্যবস্থা নিন

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদীঘি ইউনিয়নের মালিরচালা এলাকায় বনের ভেতর পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অবৈধ কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। দিনের বেলায় পুরোনো ব্যাটারি ভেঙে সিসা, অ্যাসিড ও প্লাস্টিক আলাদা করা হয়। রাতে এসব উপাদান পুড়িয়ে তৈরি করা হয় সিসা। এতে ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক পদার্থ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বন, ফসল ও জীববৈচিত্র‍্য। স্থানীয় বাসিন্দারাও পড়ছেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিসা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর বিষক্রিয়ায় শিশুদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দীর্ঘদিন এর সংস্পর্শে থাকলে বড়দেরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরোনো ব্যাটারি ভাঙা ও পোড়ানোর সময় সিসার পাশাপাশি অ্যাসিড ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। এসব পদার্থ মাটি ও পানিতে মিশে দীর্ঘদিন ক্ষতি করতে পারে। ফলে শুধু কারখানার আশপাশের মানুষ নয়, বিস্তৃত এলাকার বাস্তুতন্ত্রই হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এর আগেও ওই এলাকায় অবৈধ সিসা কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন। কিছুদিন পর আবার কারখানা চালু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় কারখানাটি চলছে। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

কারখানার ব্যবস্থাপক নিজেই স্বীকার করেছেন, তাদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই। আমরা মনে করি, শুধু কারখানা ভেঙে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। এর মালিক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত নজরদারি করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬


বনের ভেতর সীসার কারখানা, ব্যবস্থা নিন

প্রকাশের তারিখ : ০৫ নভেম্বর ২০২৬

featured Image

টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের সাগরদীঘি ইউনিয়নের মালিরচালা এলাকায় বনের ভেতর পুরোনো ব্যাটারি পুড়িয়ে সিসা তৈরির অবৈধ কারখানা পরিচালিত হচ্ছে। দিনের বেলায় পুরোনো ব্যাটারি ভেঙে সিসা, অ্যাসিড ও প্লাস্টিক আলাদা করা হয়। রাতে এসব উপাদান পুড়িয়ে তৈরি করা হয় সিসা। এতে ছড়িয়ে পড়ছে বিষাক্ত ধোঁয়া ও রাসায়নিক পদার্থ। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বন, ফসল ও জীববৈচিত্র‍্য। স্থানীয় বাসিন্দারাও পড়ছেন স্বাস্থ্যঝুঁকিতে। এ নিয়ে সংবাদ-এ বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, সিসা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এর বিষক্রিয়ায় শিশুদের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দীর্ঘদিন এর সংস্পর্শে থাকলে বড়দেরও নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। পুরোনো ব্যাটারি ভাঙা ও পোড়ানোর সময় সিসার পাশাপাশি অ্যাসিড ও অন্যান্য বিষাক্ত পদার্থ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে। এসব পদার্থ মাটি ও পানিতে মিশে দীর্ঘদিন ক্ষতি করতে পারে। ফলে শুধু কারখানার আশপাশের মানুষ নয়, বিস্তৃত এলাকার বাস্তুতন্ত্রই হুমকির মুখে পড়তে পারে।

এর আগেও ওই এলাকায় অবৈধ সিসা কারখানা গুঁড়িয়ে দিয়েছিল পরিবেশ অধিদপ্তর ও স্থানীয় প্রশাসন। কিছুদিন পর আবার কারখানা চালু হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রভাবশালী মহলের সহযোগিতায় কারখানাটি চলছে। অভিযোগ সত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।

কারখানার ব্যবস্থাপক নিজেই স্বীকার করেছেন, তাদের প্রয়োজনীয় অনুমোদন নেই। আমরা মনে করি, শুধু কারখানা ভেঙে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না। এর মালিক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে। নিয়মিত নজরদারি করতে হবে।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত