মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের চরচাষি এলাকায় জনবসতি ও শিল্পকারখানার পাশে গড়ে উঠেছে একাধিক কয়লার গদি। অভিযোগ রয়েছে, এসব গদিতে কয়লা মজুত ও পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিধিবিধান মানা হচ্ছে না। কয়লার ধুলায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চরচাষি এলাকায় বেশ কয়েকটি কয়লার গদি রয়েছে। প্রতিদিন কয়লা পরিবহনের সময় ছড়িয়ে পড়া ধুলায় আশপাশের বাড়িঘর ও সড়ক দূষিত হচ্ছে।
কয়লার ধুলা শুধু পরিবেশের ক্ষতি করছে না, জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন এমন দূষণের মধ্যে বসবাস করলে শ্বাসতন্ত্রসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। অথচ যারা এই দূষণের শিকার হচ্ছেন, তাদেরই অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানেও পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হচ্ছে না।
কয়লার গদির কয়েকজন মালিকও স্বীকার করেছেন, শতভাগ আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা পানি ছিটানোর দাবি করলেও তা দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈধ কাগজপত্র দেখানোর নোটিশ দিয়েছে। তবে শুধু নোটিশ বা সাময়িক অভিযান যথেষ্ট নয়।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কয়লার গদিগুলোর অবস্থান, অনুমোদন এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র যাচাই করতে হবে। বিধি না মানলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। জনবসতির পাশে কয়লা মজুত ও পরিবহন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপও জরুরি। শিল্প ও ব্যবসার প্রয়োজন আছে, কিন্তু তার জন্য মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না।

মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ নভেম্বর ২০২৬
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের চরচাষি এলাকায় জনবসতি ও শিল্পকারখানার পাশে গড়ে উঠেছে একাধিক কয়লার গদি। অভিযোগ রয়েছে, এসব গদিতে কয়লা মজুত ও পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিবেশগত বিধিবিধান মানা হচ্ছে না। কয়লার ধুলায় দূষিত হচ্ছে বাতাস, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা।
সংবাদ-এ প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, চরচাষি এলাকায় বেশ কয়েকটি কয়লার গদি রয়েছে। প্রতিদিন কয়লা পরিবহনের সময় ছড়িয়ে পড়া ধুলায় আশপাশের বাড়িঘর ও সড়ক দূষিত হচ্ছে।
কয়লার ধুলা শুধু পরিবেশের ক্ষতি করছে না, জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি করছে। দীর্ঘদিন এমন দূষণের মধ্যে বসবাস করলে শ্বাসতন্ত্রসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। অথচ যারা এই দূষণের শিকার হচ্ছেন, তাদেরই অনেকে ভয়ে মুখ খুলতে পারছেন না। অভিযোগ রয়েছে, প্রশাসনের অভিযানেও পরিস্থিতির স্থায়ী পরিবর্তন হচ্ছে না।
কয়লার গদির কয়েকজন মালিকও স্বীকার করেছেন, শতভাগ আইন মেনে ব্যবসা পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। তারা পানি ছিটানোর দাবি করলেও তা দূষণ নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট কি না, তা যাচাই করা প্রয়োজন। উপজেলা প্রশাসন সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে বৈধ কাগজপত্র দেখানোর নোটিশ দিয়েছে। তবে শুধু নোটিশ বা সাময়িক অভিযান যথেষ্ট নয়।
পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় কয়লার গদিগুলোর অবস্থান, অনুমোদন এবং পরিবেশগত ছাড়পত্র যাচাই করতে হবে। বিধি না মানলে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। জনবসতির পাশে কয়লা মজুত ও পরিবহন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপও জরুরি। শিল্প ও ব্যবসার প্রয়োজন আছে, কিন্তু তার জন্য মানুষের সুস্থভাবে বেঁচে থাকার অধিকার কেড়ে নেওয়া যায় না।

আপনার মতামত লিখুন