আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কড়া সমালোচনা করে এর সদস্যদেশগুলোকে অবিলম্বে আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আইসিসিকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠান’ ও ‘দুষ্ট গোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করে নিজের দেশের কোনো সেনা সদস্যকে আদালতের বিচারের মুখোমুখি হতে দেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। জাতিসংঘের মণ্ডপে দাঁড়িয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের এমন একটি আদালতের এখতিয়ারে ছেড়ে দেবে না, যেটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এবং লোকদেখানো বিচারে ব্যস্ত। আইসিসির সদস্য সব দেশের প্রতি আমার খোলা আহ্বান–আপনারা অবিলম্বে এই নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসুন।’
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইসিসির ওপর সরাসরি ব্যাপকভিত্তিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এটি কার্যকর হলে আদালতটির সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন পুরোপুরি থমকে যেতে পারে। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালেই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন। পরিকল্পিত নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর হলে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক বিচার বিভাগীয় সংস্থাটি তীব্র আর্থিক সংকটে পড়বে। ইতিপূর্বে আইসিসির নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিধিনিষেধ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু নতুন পদক্ষেপে পুরো সংস্থাটিকেই সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেসহ বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর ওয়াশিংটন আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। এর পরপরই আদালতটির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয় মার্কিন প্রশাসন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) কড়া সমালোচনা করে এর সদস্যদেশগুলোকে অবিলম্বে আদালত থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আইসিসিকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠান’ ও ‘দুষ্ট গোষ্ঠী’ হিসেবে অভিহিত করে নিজের দেশের কোনো সেনা সদস্যকে আদালতের বিচারের মুখোমুখি হতে দেওয়া হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট এ কথা বলেন বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। জাতিসংঘের মণ্ডপে দাঁড়িয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র নিজের সামরিক বাহিনীর সদস্যদের এমন একটি আদালতের এখতিয়ারে ছেড়ে দেবে না, যেটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী এবং লোকদেখানো বিচারে ব্যস্ত। আইসিসির সদস্য সব দেশের প্রতি আমার খোলা আহ্বান–আপনারা অবিলম্বে এই নিয়ন্ত্রণহীন প্রতিষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে আসুন।’
এদিকে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আইসিসির ওপর সরাসরি ব্যাপকভিত্তিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের বড় ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন। এটি কার্যকর হলে আদালতটির সঙ্গে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক লেনদেন পুরোপুরি থমকে যেতে পারে। সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালেই নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে এ নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার কথা ভাবছে ওয়াশিংটন। পরিকল্পিত নিষেধাজ্ঞাটি কার্যকর হলে বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক বিচার বিভাগীয় সংস্থাটি তীব্র আর্থিক সংকটে পড়বে। ইতিপূর্বে আইসিসির নির্দিষ্ট কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর ব্যক্তিকেন্দ্রিক বিধিনিষেধ দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু নতুন পদক্ষেপে পুরো সংস্থাটিকেই সরাসরি নিষেধাজ্ঞার আওতায় নেওয়া হচ্ছে। সংস্থাটির প্রেসিডেন্ট তোমোকো আকানেসহ বেশ কিছু শীর্ষ কর্মকর্তার ওপর ওয়াশিংটন আগেই নিষেধাজ্ঞা দিয়ে রেখেছে।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে গাজায় সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তৎকালীন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি। এর পরপরই আদালতটির বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয় মার্কিন প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন