অনাবিল সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে কচুরিপানা। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার রসুলপুর গ্রামের জয়তুন খাতুন ও রফিকুল ইসলাম দম্পতির উদ্যোগে কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হরেক রকম হস্তশিল্প পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ৮টি দেশে। এই পরিবেশবান্ধব খাত থেকে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়েছে উপজেলার ১৫টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবারের।
চার বছর আগে ঢাকার হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান 'বিডি ক্রিয়েশন' থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এ কাজের সূচনা করেন এই দম্পতি। বর্তমানে তাদের কারখানায় ফুলের টব, ঝুড়ি, পাটি, পাপোশ, টুপি, ডাইনিং ম্যাটসহ ২০ ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে। কারখানায় ৬০-৭০ জন শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছেন, যাদের বড় অংশই নারী ও শিক্ষার্থী। এর পাশাপাশি খুলনার একটি কারখানাতেও তারা কাঁচামাল ও পণ্য সরবরাহ করছেন, যেখানে কচুরিপানা থেকে তৈরি হচ্ছে কাগজ, নোটবুক ও বিভিন্ন ব্যবহারের সামগ্রী।
তবে সম্ভাবনাময় এই শিল্পটি আর্থিক সংকটের কারণে বড় পরিসরে সম্প্রসারিত হতে পারছে না। এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কাজ করায় কাঙ্ক্ষিত লাভ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা। সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ মিললে এখানে অন্তত দুই হাজার গ্রামীণ নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব বলে জানান জয়তুন খাতুন।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, উদ্যোক্তা দম্পতি আবেদন করলে শতকরা মাত্র আড়াই ভাগ সার্ভিস চার্জে সরকারিভাবে ঋণ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
অনাবিল সম্ভাবনার দুয়ার খুলেছে কচুরিপানা। পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার রসুলপুর গ্রামের জয়তুন খাতুন ও রফিকুল ইসলাম দম্পতির উদ্যোগে কচুরিপানা দিয়ে তৈরি হরেক রকম হস্তশিল্প পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ, আমেরিকা, কাতার, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ ৮টি দেশে। এই পরিবেশবান্ধব খাত থেকে বছরে আয় হচ্ছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়েছে উপজেলার ১৫টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার পরিবারের।
চার বছর আগে ঢাকার হস্তশিল্প প্রতিষ্ঠান 'বিডি ক্রিয়েশন' থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে এ কাজের সূচনা করেন এই দম্পতি। বর্তমানে তাদের কারখানায় ফুলের টব, ঝুড়ি, পাটি, পাপোশ, টুপি, ডাইনিং ম্যাটসহ ২০ ধরনের পণ্য তৈরি হচ্ছে। কারখানায় ৬০-৭০ জন শ্রমিক প্রতিদিন কাজ করছেন, যাদের বড় অংশই নারী ও শিক্ষার্থী। এর পাশাপাশি খুলনার একটি কারখানাতেও তারা কাঁচামাল ও পণ্য সরবরাহ করছেন, যেখানে কচুরিপানা থেকে তৈরি হচ্ছে কাগজ, নোটবুক ও বিভিন্ন ব্যবহারের সামগ্রী।
তবে সম্ভাবনাময় এই শিল্পটি আর্থিক সংকটের কারণে বড় পরিসরে সম্প্রসারিত হতে পারছে না। এনজিও থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে কাজ করায় কাঙ্ক্ষিত লাভ পাচ্ছেন না উদ্যোক্তারা। সরকারের পক্ষ থেকে সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ মিললে এখানে অন্তত দুই হাজার গ্রামীণ নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা সম্ভব বলে জানান জয়তুন খাতুন।
এ বিষয়ে সাঁথিয়া উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন জানান, উদ্যোক্তা দম্পতি আবেদন করলে শতকরা মাত্র আড়াই ভাগ সার্ভিস চার্জে সরকারিভাবে ঋণ সুবিধা প্রদান করা সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন