মিথ্যা ঘোষণা ও রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। আইআরএম (ইন্টেলিজেন্ট റിস্ক ম্যানেজমেন্ট) টিমের মাধ্যমে সন্দেহজনক পণ্যের শতভাগ কায়িক পরীক্ষা ও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে রাজস্ব ফাঁকির বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়লেও পণ্য খালাসে তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত বিলম্বের অভিযোগ তুলছেন বৈধ আমদানিকারকরা।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, মিথ্যা ঘোষণা ও অনিয়মের অভিযোগে ইতোমধ্যে 'লিংক ইন্টারন্যাশনাল', 'রয়েল এন্টারপ্রাইজ', 'করিম অ্যান্ড সন্স' এবং 'হুদা ইন্টারন্যাশনাল' - এই চারটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। বন্ড, গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল জাতীয় পণ্যের চালানে অনিয়মের প্রবণতা বেশি থাকায় এগুলোর কায়িক পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বন্দরটি দিয়ে পণ্য আমদানি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি কমেছিল প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন। আর গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা (প্রায় ৪২ শতাংশ)।
এমন পরিস্থিতিতে এনবিআর আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকার নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা অর্জন করতে হলে গত বছরের তুলনায় আরও প্রায় ৪ হাজার ২৯ কোটি টাকা বেশি আদায় করতে হবে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান জানান, ‘মিথ্যা ঘোষণার বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। সন্দেহজনক চালান আইনি প্রক্রিয়ায় শতভাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে বৈধ আমদানিকারকদের পণ্য যাতে দ্রুত খালাস পায়, সে বিষয়েও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মিথ্যা ঘোষণা ও রাজস্ব ফাঁকি ঠেকাতে দেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল কাস্টমস হাউসে কড়াকড়ি আরোপ করেছে কর্তৃপক্ষ। আইআরএম (ইন্টেলিজেন্ট റിস্ক ম্যানেজমেন্ট) টিমের মাধ্যমে সন্দেহজনক পণ্যের শতভাগ কায়িক পরীক্ষা ও বিশেষ অভিযান চালানো হচ্ছে। এতে রাজস্ব ফাঁকির বিভিন্ন অনিয়ম ধরা পড়লেও পণ্য খালাসে তিন থেকে চার দিন পর্যন্ত বিলম্বের অভিযোগ তুলছেন বৈধ আমদানিকারকরা।
কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, মিথ্যা ঘোষণা ও অনিয়মের অভিযোগে ইতোমধ্যে 'লিংক ইন্টারন্যাশনাল', 'রয়েল এন্টারপ্রাইজ', 'করিম অ্যান্ড সন্স' এবং 'হুদা ইন্টারন্যাশনাল' - এই চারটি সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়েছে। বন্ড, গার্মেন্টস ও কেমিক্যাল জাতীয় পণ্যের চালানে অনিয়মের প্রবণতা বেশি থাকায় এগুলোর কায়িক পরীক্ষা জোরদার করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বন্দরটি দিয়ে পণ্য আমদানি আশঙ্কাজনক হারে কমেছে। বিগত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানি কমেছিল প্রায় ১ লাখ ২৯ হাজার মেট্রিক টন। আর গত ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ১১ হাজার ২৯০ কোটি টাকা সংশোধিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছে ৬ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা, ফলে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা (প্রায় ৪২ শতাংশ)।
এমন পরিস্থিতিতে এনবিআর আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ১০ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকার নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে, যা অর্জন করতে হলে গত বছরের তুলনায় আরও প্রায় ৪ হাজার ২৯ কোটি টাকা বেশি আদায় করতে হবে।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ ফাইজুর রহমান জানান, ‘মিথ্যা ঘোষণার বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। সন্দেহজনক চালান আইনি প্রক্রিয়ায় শতভাগ পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে বৈধ আমদানিকারকদের পণ্য যাতে দ্রুত খালাস পায়, সে বিষয়েও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।’

আপনার মতামত লিখুন