ফোন হাতে বসে কারও মেসেজের অপেক্ষা নেই, রাতে ‘খেয়েছ?’ জিজ্ঞেস করার মানুষও নেই-তাই বলে মন খারাপ করার কারণ নেই। বরং আজ একটু নিজের জন্য হাসুন। কারণ ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হয় সিঙ্গেল ডে। সম্পর্কের বাইরে থাকা মানুষদের জন্য দিনটি হতে পারে নিজের জীবন, পছন্দ আর স্বাধীনতাকে নতুন করে উদ্যাপনের একটি উপলক্ষ।
সিঙ্গেল থাকা মানেই যে জীবনে ভালোবাসার অভাব, বিষয়টি আসলে এমন নয়। মানুষের জীবনে পরিবার, বন্ধুত্ব, কাজ, স্বপ্ন, শখ কিংবা নিজের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক-সবকিছুরই আলাদা মূল্য রয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বরের সিঙ্গেল ডের গল্প
২৩ সেপ্টেম্বর সিঙ্গেল ডে পালনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রিড
নামের এক ব্যক্তির উদ্যোগের কথা প্রচলিত রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, আগে অন্য সময়ে দিনটি পালিত হলেও ২০১৭ সাল থেকে ২৩ সেপ্টেম্বরকে সিঙ্গেল
ডে হিসেবে পালনের প্রচলন দেখা যায়।
তবে ‘সিঙ্গেলস ডে’ নামে আরেকটি বড় আয়োজন রয়েছে চীনে। সেখানে ১১ নভেম্বর বা ১১.১১
তারিখে দিনটি পালিত হয়। পাশাপাশি চারটি ‘১’ থাকায় তারিখটি একক মানুষের প্রতীক হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রচলিত ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকে নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে এর শুরু। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে বৃহত্তর সমাজে।
দুই আয়োজনের পেছনের ইতিহাস আলাদা হলেও মূল ভাবনায় রয়েছে এক ধরনের মিল-সম্পর্কে না থেকেও নিজের জীবনকে উপভোগ করা।
সম্পর্ক নেই, তবু জীবন পূর্ণ হতে পারে
কেউ প্রেম করছে, কেউ বিয়ে করছে, কেউ দীর্ঘদিনের সম্পর্কে আছে-এসব দেখে নিজের জীবনকে অসম্পূর্ণ মনে হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের সমাজে ‘কেউ আছে?’ প্রশ্নটি
অনেক সময় এমনভাবে করা হয়, যেন সম্পর্কে না থাকাটা জীবনের কোনো ঘাটতি।
কিন্তু একজন মানুষের সুখ বা পূর্ণতা শুধু প্রেমের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। পরিবার, বন্ধু, পেশা, ব্যক্তিগত অর্জন, সৃজনশীলতা, ভ্রমণ কিংবা নিজের স্বপ্ন-এসবও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বরং
সিঙ্গেল থাকার সময়টাকে নিজের পছন্দ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বোঝার সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে
পারে।
নিজের সময়ের মালিক যখন নিজেই
সম্পর্কের
ক্ষেত্রে
দুজন
মানুষের
সময়,
পছন্দ
ও
পরিকল্পনার
মধ্যে
সমন্বয়
করতে
হয়।
সিঙ্গেল
জীবনে
নিজের
সময়
নিয়ে
সিদ্ধান্ত
নেওয়ার
স্বাধীনতা
তুলনামূলক
বেশি।
ছুটির
দিনে
দীর্ঘ
সময়
ঘুমানো,
হঠাৎ
সিনেমা
দেখতে
যাওয়া,
পছন্দের
খাবার
অর্ডার
করা
কিংবা
একা
কোনো
ক্যাফেতে
বসে
থাকা-এসবের
জন্য
কারও
সঙ্গে
পরিকল্পনা
মেলানোর
প্রয়োজন
নেই।
এই
স্বাধীনতা
শুধু
সুবিধা
নয়;
নিজের
পছন্দ,
প্রয়োজন
ও
আগ্রহকে
নতুন
করে
চেনারও
সুযোগ।
আজ একটু নিজের যত্ন নিন
সিঙ্গেল
ডেতে
বড়
কোনো
আয়োজন
করতেই
হবে,
এমন
নয়।
বরং
অনেক
দিন
ধরে
যে
কাজটি
করতে
চাচ্ছেন,
সেটিই
আজ
করতে
পারেন।
পছন্দের
পোশাক
পরুন,
প্রিয়
খাবার
খান,
সিনেমা
দেখুন,
বই
পড়ুন
কিংবা
একা
কোথাও
ঘুরে
আসুন।
বন্ধুদের
সঙ্গে
আড্ডা
দিতে
পারেন,
আবার
চাইলে
দিনের
কিছুটা
সময়
একেবারেই
নিরিবিলিতে
কাটাতে
পারেন।
নিজের
যত্ন
নেওয়ার
জন্য
বিশেষ
কোনো
উপলক্ষেরও
প্রয়োজন
নেই।
তবে
এমন
একটি
দিন
নিজেকে
একটু
বেশি
গুরুত্ব
দেওয়ার
কথা
মনে
করিয়ে
দিতে
পারে।
অন্যের
প্রেম দেখে নিজের জীবন মাপবেন না
সিঙ্গেলদের
মন
খারাপের
অন্যতম
কারণ
হয়ে
উঠতে
পারে
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম।
ফেসবুক
বা
ইনস্টাগ্রামে
সারাক্ষণ
দেখা
যায়
এনগেজমেন্ট,
ডেট,
সারপ্রাইজ,
উপহার
কিংবা
সুখী
দম্পতির
ছবি।
সেসব
দেখে
মনে
হতে
পারে,
অন্য
সবার
জীবন
বুঝি
নিজের
চেয়ে
সুন্দর।
কিন্তু
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
সাধারণত
জীবনের
বাছাই করা মুহূর্তই
সামনে
আসে।
সম্পর্কের
ঝগড়া,
ভুল
বোঝাবুঝি,
হতাশা
কিংবা
একাকীত্বের
অনেকটাই
সেখানে
দেখা
যায়
না।
তাই
অন্যের
জীবনের
কয়েকটি
সুন্দর
ছবি
দেখে
নিজের
পুরো
জীবনকে
বিচার
করার
কোনো
কারণ
নেই।
সিঙ্গেল
হওয়া আর একা থাকা এক নয়
সম্পর্কে
থেকেও
একজন
মানুষ
একাকী
অনুভব
করতে
পারেন।
আবার
সম্পর্কের
বাইরে
থেকেও
কেউ
পরিবার,
বন্ধু,
কাজ,
শখ
ও
স্বপ্ন
নিয়ে
পরিপূর্ণ
জীবন
কাটাতে
পারেন।
তাই
‘সিঙ্গেল’
শব্দটির
সঙ্গে
‘একা’
শব্দটিকে
মিলিয়ে
দেখা
ঠিক
নয়।
জীবনে
কখন
সম্পর্ক
আসবে,
আদৌ
আসবে
কি
না-তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাও
নেই।
কেউ
অল্প
বয়সে
ভালোবাসার
মানুষ
খুঁজে
পান,
কেউ
অনেক
পরে।
আবার
কেউ
নিজের
জীবন
অন্যভাবেও
সাজাতে
পারেন।
আজকের দিনটা হোক নিজের সঙ্গে
সিঙ্গেল
ডের
আসল
উপলক্ষ
হয়তো
প্রেম
না
থাকার
বিষয়টি
নিয়ে
আফসোস
করা
নয়।
বরং
নিজের
জীবনে
ইতিমধ্যে
যা
আছে,
সেগুলোকে
নতুন
করে
দেখা।
সকালে
একটু
বেশি
ঘুম,
প্রিয়
নাশতা,
বন্ধুর
সঙ্গে
আড্ডা,
একা
সিনেমা,
বই
পড়া
কিংবা
কিছু
সময়
ফোন
থেকে
দূরে
থাকা-ছোট ছোট এসব কাজও
দিনটিকে
আলাদা
করে
তুলতে
পারে।
প্রেম
জীবনের
সুন্দর
একটি
অংশ
হতে
পারে,
কিন্তু
সেটিই
পুরো
জীবন
নয়।
তাই
আজ
যদি
আপনার
জীবনে
কোনো
‘মনের
মানুষ’
না-ও থাকে,
তাতে
জীবন
থেমে
নেই।
সামনে
এখনো
অনেক
স্বপ্ন,
অনেক
অভিজ্ঞতা
আর
অনেক
গল্প
অপেক্ষা
করছে।
হয়তো
সেই
গল্পের
কোনো
এক
অধ্যায়ে
একদিন
ভালোবাসাও
এসে
যোগ
হবে।
আর
তার
আগ
পর্যন্ত
নিজের
মতো
করে
বেঁচে
থাকার
আনন্দটুকু
উপভোগ
করাই
হোক
আজকের
সিঙ্গেল
ডের
সবচেয়ে
সুন্দর
উদ্যাপন।

বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ফোন হাতে বসে কারও মেসেজের অপেক্ষা নেই, রাতে ‘খেয়েছ?’ জিজ্ঞেস করার মানুষও নেই-তাই বলে মন খারাপ করার কারণ নেই। বরং আজ একটু নিজের জন্য হাসুন। কারণ ২৩ সেপ্টেম্বর পালিত হয় সিঙ্গেল ডে। সম্পর্কের বাইরে থাকা মানুষদের জন্য দিনটি হতে পারে নিজের জীবন, পছন্দ আর স্বাধীনতাকে নতুন করে উদ্যাপনের একটি উপলক্ষ।
সিঙ্গেল থাকা মানেই যে জীবনে ভালোবাসার অভাব, বিষয়টি আসলে এমন নয়। মানুষের জীবনে পরিবার, বন্ধুত্ব, কাজ, স্বপ্ন, শখ কিংবা নিজের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক-সবকিছুরই আলাদা মূল্য রয়েছে।
২৩ সেপ্টেম্বরের সিঙ্গেল ডের গল্প
২৩ সেপ্টেম্বর সিঙ্গেল ডে পালনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের রিড
নামের এক ব্যক্তির উদ্যোগের কথা প্রচলিত রয়েছে। বিভিন্ন তথ্য অনুযায়ী, আগে অন্য সময়ে দিনটি পালিত হলেও ২০১৭ সাল থেকে ২৩ সেপ্টেম্বরকে সিঙ্গেল
ডে হিসেবে পালনের প্রচলন দেখা যায়।
তবে ‘সিঙ্গেলস ডে’ নামে আরেকটি বড় আয়োজন রয়েছে চীনে। সেখানে ১১ নভেম্বর বা ১১.১১
তারিখে দিনটি পালিত হয়। পাশাপাশি চারটি ‘১’ থাকায় তারিখটি একক মানুষের প্রতীক হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রচলিত ইতিহাস অনুযায়ী, ১৯৯০-এর দশকে নানজিং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের
মধ্যে এর শুরু। পরে তা ছড়িয়ে পড়ে বৃহত্তর সমাজে।
দুই আয়োজনের পেছনের ইতিহাস আলাদা হলেও মূল ভাবনায় রয়েছে এক ধরনের মিল-সম্পর্কে না থেকেও নিজের জীবনকে উপভোগ করা।
সম্পর্ক নেই, তবু জীবন পূর্ণ হতে পারে
কেউ প্রেম করছে, কেউ বিয়ে করছে, কেউ দীর্ঘদিনের সম্পর্কে আছে-এসব দেখে নিজের জীবনকে অসম্পূর্ণ মনে হওয়ার প্রয়োজন নেই। আমাদের সমাজে ‘কেউ আছে?’ প্রশ্নটি
অনেক সময় এমনভাবে করা হয়, যেন সম্পর্কে না থাকাটা জীবনের কোনো ঘাটতি।
কিন্তু একজন মানুষের সুখ বা পূর্ণতা শুধু প্রেমের সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে না। পরিবার, বন্ধু, পেশা, ব্যক্তিগত অর্জন, সৃজনশীলতা, ভ্রমণ কিংবা নিজের স্বপ্ন-এসবও জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বরং
সিঙ্গেল থাকার সময়টাকে নিজের পছন্দ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বোঝার সুযোগ হিসেবে দেখা যেতে
পারে।
নিজের সময়ের মালিক যখন নিজেই
সম্পর্কের
ক্ষেত্রে
দুজন
মানুষের
সময়,
পছন্দ
ও
পরিকল্পনার
মধ্যে
সমন্বয়
করতে
হয়।
সিঙ্গেল
জীবনে
নিজের
সময়
নিয়ে
সিদ্ধান্ত
নেওয়ার
স্বাধীনতা
তুলনামূলক
বেশি।
ছুটির
দিনে
দীর্ঘ
সময়
ঘুমানো,
হঠাৎ
সিনেমা
দেখতে
যাওয়া,
পছন্দের
খাবার
অর্ডার
করা
কিংবা
একা
কোনো
ক্যাফেতে
বসে
থাকা-এসবের
জন্য
কারও
সঙ্গে
পরিকল্পনা
মেলানোর
প্রয়োজন
নেই।
এই
স্বাধীনতা
শুধু
সুবিধা
নয়;
নিজের
পছন্দ,
প্রয়োজন
ও
আগ্রহকে
নতুন
করে
চেনারও
সুযোগ।
আজ একটু নিজের যত্ন নিন
সিঙ্গেল
ডেতে
বড়
কোনো
আয়োজন
করতেই
হবে,
এমন
নয়।
বরং
অনেক
দিন
ধরে
যে
কাজটি
করতে
চাচ্ছেন,
সেটিই
আজ
করতে
পারেন।
পছন্দের
পোশাক
পরুন,
প্রিয়
খাবার
খান,
সিনেমা
দেখুন,
বই
পড়ুন
কিংবা
একা
কোথাও
ঘুরে
আসুন।
বন্ধুদের
সঙ্গে
আড্ডা
দিতে
পারেন,
আবার
চাইলে
দিনের
কিছুটা
সময়
একেবারেই
নিরিবিলিতে
কাটাতে
পারেন।
নিজের
যত্ন
নেওয়ার
জন্য
বিশেষ
কোনো
উপলক্ষেরও
প্রয়োজন
নেই।
তবে
এমন
একটি
দিন
নিজেকে
একটু
বেশি
গুরুত্ব
দেওয়ার
কথা
মনে
করিয়ে
দিতে
পারে।
অন্যের
প্রেম দেখে নিজের জীবন মাপবেন না
সিঙ্গেলদের
মন
খারাপের
অন্যতম
কারণ
হয়ে
উঠতে
পারে
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যম।
ফেসবুক
বা
ইনস্টাগ্রামে
সারাক্ষণ
দেখা
যায়
এনগেজমেন্ট,
ডেট,
সারপ্রাইজ,
উপহার
কিংবা
সুখী
দম্পতির
ছবি।
সেসব
দেখে
মনে
হতে
পারে,
অন্য
সবার
জীবন
বুঝি
নিজের
চেয়ে
সুন্দর।
কিন্তু
সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে
সাধারণত
জীবনের
বাছাই করা মুহূর্তই
সামনে
আসে।
সম্পর্কের
ঝগড়া,
ভুল
বোঝাবুঝি,
হতাশা
কিংবা
একাকীত্বের
অনেকটাই
সেখানে
দেখা
যায়
না।
তাই
অন্যের
জীবনের
কয়েকটি
সুন্দর
ছবি
দেখে
নিজের
পুরো
জীবনকে
বিচার
করার
কোনো
কারণ
নেই।
সিঙ্গেল
হওয়া আর একা থাকা এক নয়
সম্পর্কে
থেকেও
একজন
মানুষ
একাকী
অনুভব
করতে
পারেন।
আবার
সম্পর্কের
বাইরে
থেকেও
কেউ
পরিবার,
বন্ধু,
কাজ,
শখ
ও
স্বপ্ন
নিয়ে
পরিপূর্ণ
জীবন
কাটাতে
পারেন।
তাই
‘সিঙ্গেল’
শব্দটির
সঙ্গে
‘একা’
শব্দটিকে
মিলিয়ে
দেখা
ঠিক
নয়।
জীবনে
কখন
সম্পর্ক
আসবে,
আদৌ
আসবে
কি
না-তার কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমাও
নেই।
কেউ
অল্প
বয়সে
ভালোবাসার
মানুষ
খুঁজে
পান,
কেউ
অনেক
পরে।
আবার
কেউ
নিজের
জীবন
অন্যভাবেও
সাজাতে
পারেন।
আজকের দিনটা হোক নিজের সঙ্গে
সিঙ্গেল
ডের
আসল
উপলক্ষ
হয়তো
প্রেম
না
থাকার
বিষয়টি
নিয়ে
আফসোস
করা
নয়।
বরং
নিজের
জীবনে
ইতিমধ্যে
যা
আছে,
সেগুলোকে
নতুন
করে
দেখা।
সকালে
একটু
বেশি
ঘুম,
প্রিয়
নাশতা,
বন্ধুর
সঙ্গে
আড্ডা,
একা
সিনেমা,
বই
পড়া
কিংবা
কিছু
সময়
ফোন
থেকে
দূরে
থাকা-ছোট ছোট এসব কাজও
দিনটিকে
আলাদা
করে
তুলতে
পারে।
প্রেম
জীবনের
সুন্দর
একটি
অংশ
হতে
পারে,
কিন্তু
সেটিই
পুরো
জীবন
নয়।
তাই
আজ
যদি
আপনার
জীবনে
কোনো
‘মনের
মানুষ’
না-ও থাকে,
তাতে
জীবন
থেমে
নেই।
সামনে
এখনো
অনেক
স্বপ্ন,
অনেক
অভিজ্ঞতা
আর
অনেক
গল্প
অপেক্ষা
করছে।
হয়তো
সেই
গল্পের
কোনো
এক
অধ্যায়ে
একদিন
ভালোবাসাও
এসে
যোগ
হবে।
আর
তার
আগ
পর্যন্ত
নিজের
মতো
করে
বেঁচে
থাকার
আনন্দটুকু
উপভোগ
করাই
হোক
আজকের
সিঙ্গেল
ডের
সবচেয়ে
সুন্দর
উদ্যাপন।

আপনার মতামত লিখুন