রাত তখন সাড়ে ১০টা। চারপাশ নিঝুম, ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠের গ্যালারির চারপাশজুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সেই অন্ধকারেই জমায়েত হয়েছিল একদল কিশোর-তরুণ। কারও হাতে ঝুলছিল মুঠোফোন, কারও চোখেমুখে স্পষ্ট অস্বস্তি। কেন তারা এত রাতে সেখানে এসে জড়ো হয়েছিল, কী করছিল–জিজ্ঞাসাবাদে মেলাতে পারেনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর। পরে অবশ্য আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনের সময় ঘটনাটি নজর কাড়ে পরিদর্শক দলের।
পরবর্তী সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় পরিচালিত ‘উপজেলা প্রশাসন শ্রীমঙ্গল’ নামের ফেসবুক পাতায় এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাতের এই সময়ে কিশোর-তরুণদের থাকার কথা নিজের ঘরের পড়ার টেবিলে। অথচ তারা অন্ধকার মাঠে অযথা সময় নষ্ট করছিল। কেন এসেছে জানতে চাইলে উপস্থিত তরুণেরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।হঠাৎ প্রশাসনকে দেখে কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে ভুল স্বীকার করে কয়েকজন ক্ষমা চেয়ে প্রতিশ্রুতি দেয়, ভবিষ্যতে তারা আর রাতের অন্ধকারে এভাবে অলস সময় কাটাবে না। প্রশাসনও কোনো প্রশাসনিক কঠোরতায় না গিয়ে সহানুভূতির সঙ্গে তাদের বুঝিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠায়।
উপজেলা প্রশাসনের ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের অভিযানের মূল লক্ষ্য কেবল আইন প্রয়োগ নয়; উঠতি বয়সীদের ভুল পথ থেকে ফেরানো, নিরাপদ রাখা এবং পড়াশোনা ও সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে উৎসাহিত করা।
বার্তার শেষাংশে প্রশাসনের আহ্বান ছিল–অন্ধকারে নয়, বরং আলোর পথেই ফুটে উঠুক আমাদের আগামী প্রজন্ম।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
রাত তখন সাড়ে ১০টা। চারপাশ নিঝুম, ভিক্টোরিয়া উচ্চবিদ্যালয় মাঠের গ্যালারির চারপাশজুড়ে ঘুটঘুটে অন্ধকার। সেই অন্ধকারেই জমায়েত হয়েছিল একদল কিশোর-তরুণ। কারও হাতে ঝুলছিল মুঠোফোন, কারও চোখেমুখে স্পষ্ট অস্বস্তি। কেন তারা এত রাতে সেখানে এসে জড়ো হয়েছিল, কী করছিল–জিজ্ঞাসাবাদে মেলাতে পারেনি সন্তোষজনক কোনো উত্তর। পরে অবশ্য আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তাদের নিজ নিজ বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলা ও পৌর প্রশাসনের রাতের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শনের সময় ঘটনাটি নজর কাড়ে পরিদর্শক দলের।
পরবর্তী সময়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশনায় পরিচালিত ‘উপজেলা প্রশাসন শ্রীমঙ্গল’ নামের ফেসবুক পাতায় এক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাতের এই সময়ে কিশোর-তরুণদের থাকার কথা নিজের ঘরের পড়ার টেবিলে। অথচ তারা অন্ধকার মাঠে অযথা সময় নষ্ট করছিল। কেন এসেছে জানতে চাইলে উপস্থিত তরুণেরা কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি।হঠাৎ প্রশাসনকে দেখে কয়েকজন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। তবে ভুল স্বীকার করে কয়েকজন ক্ষমা চেয়ে প্রতিশ্রুতি দেয়, ভবিষ্যতে তারা আর রাতের অন্ধকারে এভাবে অলস সময় কাটাবে না। প্রশাসনও কোনো প্রশাসনিক কঠোরতায় না গিয়ে সহানুভূতির সঙ্গে তাদের বুঝিয়ে বাড়ি ফেরত পাঠায়।
উপজেলা প্রশাসনের ওই বার্তায় উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের অভিযানের মূল লক্ষ্য কেবল আইন প্রয়োগ নয়; উঠতি বয়সীদের ভুল পথ থেকে ফেরানো, নিরাপদ রাখা এবং পড়াশোনা ও সুন্দর ভবিষ্যতের দিকে উৎসাহিত করা।
বার্তার শেষাংশে প্রশাসনের আহ্বান ছিল–অন্ধকারে নয়, বরং আলোর পথেই ফুটে উঠুক আমাদের আগামী প্রজন্ম।

আপনার মতামত লিখুন