ঘরের গ্রিলে পেঁচিয়ে ছিল সাপটি। সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে সেটি চোখে পড়তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসার লোকজনের মধ্যে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এসে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন সাপটি। পরে বিরল প্রজাতির ‘আইড ক্যাট স্নেক’ হিসেবে শনাক্ত হওয়া সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কের একটি আবাসিক বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
বাসার বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যায় জানালার গ্রিলে সাপ পেঁচিয়ে থাকতে দেখে তারা আঁতকে ওঠেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানানো হয়। সেখান থেকে প্রতিনিধিদল এসে কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই সাপটি ধরে ফেলে।
সংস্থাটি জানায়, এটি ‘আইড ক্যাট স্নেক’ (Eyed Cat Snake), যা বনাঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় সুরক্ষার জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের হাতে সাপটি সোপর্দ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীমঙ্গল শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘনঘন সাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়ায় তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে আতঙ্ক। গত আগস্ট মাসেই বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন এ অঞ্চলের বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও এলাকা থেকে ১৭টি বড় আকারের অজগরসহ বেশ কিছু বিষধর সাপ উদ্ধার করেছে। চলতি সেপ্টেম্বরেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের পাহাড়-টিলা কেটে বসতি ও স্থাপনা গড়ায় বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ফলে খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে এরা। বাসাবাড়িতে সাপ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল কিংবা বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঘরের গ্রিলে পেঁচিয়ে ছিল সাপটি। সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতে সেটি চোখে পড়তেই আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে বাসার লোকজনের মধ্যে। খবর পেয়ে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের সদস্যরা এসে অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেন সাপটি। পরে বিরল প্রজাতির ‘আইড ক্যাট স্নেক’ হিসেবে শনাক্ত হওয়া সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে শ্রীমঙ্গল শহরের হবিগঞ্জ সড়কের একটি আবাসিক বাসায় এ ঘটনা ঘটে।
বাসার বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যায় জানালার গ্রিলে সাপ পেঁচিয়ে থাকতে দেখে তারা আঁতকে ওঠেন। তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টির বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানানো হয়। সেখান থেকে প্রতিনিধিদল এসে কোনো ধরনের ক্ষতি না করেই সাপটি ধরে ফেলে।
সংস্থাটি জানায়, এটি ‘আইড ক্যাট স্নেক’ (Eyed Cat Snake), যা বনাঞ্চলে সচরাচর দেখা যায় না। উদ্ধার শেষে প্রয়োজনীয় সুরক্ষার জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের হাতে সাপটি সোপর্দ করা হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে শ্রীমঙ্গল শহর ও আশপাশের এলাকায় ঘনঘন সাপের উপস্থিতি দেখা দেওয়ায় তৈরি হয়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে আতঙ্ক। গত আগস্ট মাসেই বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন এ অঞ্চলের বিভিন্ন বাসাবাড়ি ও এলাকা থেকে ১৭টি বড় আকারের অজগরসহ বেশ কিছু বিষধর সাপ উদ্ধার করেছে। চলতি সেপ্টেম্বরেও সেই ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসহ শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জের পাহাড়-টিলা কেটে বসতি ও স্থাপনা গড়ায় বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে। ফলে খাদ্য ও আশ্রয়ের সন্ধানে লোকালয়ে ঢুকে পড়ছে এরা। বাসাবাড়িতে সাপ দেখা গেলে আতঙ্কিত না হয়ে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে অভিজ্ঞ উদ্ধারকারী দল কিংবা বন বিভাগকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন