মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ধলেশ্বরী নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা ১১৩টি জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড় ৮ লাখ টাকা।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য দফতর সূত্রে জানা যায়, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় ধলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন স্থানে অসাধু জেলেদের পেতে রাখা অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নদী থেকে জব্দ করা ১১৩টি চায়না দুয়ারি জাল পরে স্থানীয় নদীর তীরবর্তী ফাঁকা স্থানে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে সাটুরিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেনজির ফারজিন, স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাটুরিয়া থানা-পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সহায়তা করে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং অবৈধ জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলায় ধলেশ্বরী নদীতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করে ধ্বংস করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত টানা পাঁচ ঘণ্টা এ অভিযান চালানো হয়। উদ্ধার করা ১১৩টি জালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় সাড় ৮ লাখ টাকা।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় মৎস্য দফতর সূত্রে জানা যায়, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও জলজ প্রাণীর প্রজনন সুরক্ষায় ধলেশ্বরী নদীর বিভিন্ন স্থানে অসাধু জেলেদের পেতে রাখা অবৈধ জালের বিরুদ্ধে এ বিশেষ অভিযান চালানো হয়। নদী থেকে জব্দ করা ১১৩টি চায়না দুয়ারি জাল পরে স্থানীয় নদীর তীরবর্তী ফাঁকা স্থানে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাহমুদুল ইসলামের নেতৃত্বে এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালিত হয়।
অভিযান চলাকালে সাটুরিয়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেনজির ফারজিন, স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সাটুরিয়া থানা-পুলিশের একটি দল উপস্থিত থেকে সহায়তা করে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. মাহমুদুল ইসলাম জানান, জলাশয়ে দেশীয় মৎস্যসম্পদ রক্ষা এবং অবৈধ জালের ব্যবহার পুরোপুরি বন্ধে প্রশাসনের এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন