বঙ্গোপসাগরে ট্রলার বিকল হয়ে চার দিন ভেসে থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জেলেকে। শেষ পর্যন্ত নৌ-প্রশাসন নয়, স্বজনদের পাঠানো আরেকটি ট্রলারের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উপকূলে ফেরেন তারা।
এর আগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর ও রূপারচরের মাঝামাঝি বঙ্গোপসাগরে টানা চার দিন চরম উৎকণ্ঠায় কাটে তাদের। বিষয়টি সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন ভোলা চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জের মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী।
উদ্ধার পাওয়া জেলে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জের হানিফ মাঝির মালিকানাধীন একটি ট্রলার নিয়ে জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। শনিবার মাছ ধরার পর রোববার হঠাৎ ট্রলারটির পাখা (প্রপেলার) ভেঙে বিকল হয়ে পড়ে। এরপর আর সামনে এগোনো সম্ভব হয়নি; সমুদ্রের বুকেই নোঙর ফেলে চার দিন কাটাতে হয় তাদের। উত্তাল সাগরে খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকটের পাশাপাশি চারদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি ছিলেন এই ১৮ জন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উদ্ধারকারী একটি ট্রলার নিয়ে সাগরে যান হানিফ মাঝির ভাই ফিরোজ রাঢ়ী। সকাল ৯টার দিকে অক্ষত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচকপাট স্লুইসগেট এলাকায় নিয়ে আসা হয়।
এদিকে দীর্ঘ চার দিন ধরে জেলের প্রাণ সংকটে থাকলেও নৌপুলিশ কিংবা কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কোনো উদ্ধার তৎপরতা না চালানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীদের পরিবার ও আড়তদারেরা। মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের কাজ আসলে কী? সাগরে চার দিন ধরে মানুষ ভাসছে, অথচ শেষমেশ আমাদের নিজেদেরই ট্রলার পাঠিয়ে স্বজনদের রক্ষা করতে হলো।’
জীবিত অবস্থায় ১৮ জন জেলে ফিরে আসায় স্বজনদের মুখে স্বস্তি ফিরলেও, উপকূলজুড়ে নৌ-প্রশাসনের উদাসীনতা ও ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বঙ্গোপসাগরে ট্রলার বিকল হয়ে চার দিন ভেসে থাকার পর উদ্ধার করা হয়েছে ১৮ জেলেকে। শেষ পর্যন্ত নৌ-প্রশাসন নয়, স্বজনদের পাঠানো আরেকটি ট্রলারের সহায়তায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে জীবিত ও অক্ষত অবস্থায় উপকূলে ফেরেন তারা।
এর আগে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার সোনারচর ও রূপারচরের মাঝামাঝি বঙ্গোপসাগরে টানা চার দিন চরম উৎকণ্ঠায় কাটে তাদের। বিষয়টি সংবাদকে নিশ্চিত করেছেন ভোলা চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জের মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী।
উদ্ধার পাওয়া জেলে ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জের হানিফ মাঝির মালিকানাধীন একটি ট্রলার নিয়ে জেলেরা বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে যান। শনিবার মাছ ধরার পর রোববার হঠাৎ ট্রলারটির পাখা (প্রপেলার) ভেঙে বিকল হয়ে পড়ে। এরপর আর সামনে এগোনো সম্ভব হয়নি; সমুদ্রের বুকেই নোঙর ফেলে চার দিন কাটাতে হয় তাদের। উত্তাল সাগরে খাদ্য ও সুপেয় পানির সংকটের পাশাপাশি চারদিন ধরে জীবন-মৃত্যুর মুখোমুখি ছিলেন এই ১৮ জন।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উদ্ধারকারী একটি ট্রলার নিয়ে সাগরে যান হানিফ মাঝির ভাই ফিরোজ রাঢ়ী। সকাল ৯টার দিকে অক্ষত অবস্থায় সবাইকে উদ্ধার করে চরফ্যাশনের হাজারীগঞ্জ ইউনিয়নের পাঁচকপাট স্লুইসগেট এলাকায় নিয়ে আসা হয়।
এদিকে দীর্ঘ চার দিন ধরে জেলের প্রাণ সংকটে থাকলেও নৌপুলিশ কিংবা কোস্টগার্ডের পক্ষ থেকে কোনো উদ্ধার তৎপরতা না চালানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ভুক্তভোগীদের পরিবার ও আড়তদারেরা। মৎস্য আড়তদার ফরহাদ হোসেন পাটোয়ারী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের কাজ আসলে কী? সাগরে চার দিন ধরে মানুষ ভাসছে, অথচ শেষমেশ আমাদের নিজেদেরই ট্রলার পাঠিয়ে স্বজনদের রক্ষা করতে হলো।’
জীবিত অবস্থায় ১৮ জন জেলে ফিরে আসায় স্বজনদের মুখে স্বস্তি ফিরলেও, উপকূলজুড়ে নৌ-প্রশাসনের উদাসীনতা ও ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন