প্রতিবেশী দেশ কানাডার অভিবাসন নীতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির বর্তমান নীতিকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ‘কোটি কোটি’ মানুষকে নিজেদের সীমানায় প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে ট্রুডো সরকার।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বারতায় ট্রাম্প অভিযোগ করেন, শিথিল এই নীতির কারণে কানাডায় দ্রুত বেকারত্ব বাড়ছে এবং পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়তে পারে। কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এটিকে একটি ‘লিবারেল টেকওভার’ বা উদারপন্থীদের অন্যায্য আধিপত্য বলে আখ্যা দেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে কানাডার বর্তমান অভিবাসন চিত্রের মিল নেই। আবাসন ও কর্মসংস্থানের ওপর চাপ কমাতে গত দুই বছর ধরেই অভিবাসীর সংখ্যা কাটছাঁট করছে অটোয়া। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত অস্থায়ী বাসিন্দা আসার সংখ্যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬৬ শতাংশ কমে এসেছে।
কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো দর্শনার্থী, শিক্ষার্থী, কর্মী কিংবা শরণার্থীর ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা ও পটভূমি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া বহাল রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন বা নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের প্রবেশ ঠেকানোয় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
\

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রতিবেশী দেশ কানাডার অভিবাসন নীতি নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দেশটির বর্তমান নীতিকে ‘নিয়ন্ত্রণহীন’ আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প দাবি করেছেন, যথাযথ যাচাই-বাছাই ছাড়াই ‘কোটি কোটি’ মানুষকে নিজেদের সীমানায় প্রবেশের সুযোগ দিচ্ছে ট্রুডো সরকার।
স্থানীয় সময় বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বারতায় ট্রাম্প অভিযোগ করেন, শিথিল এই নীতির কারণে কানাডায় দ্রুত বেকারত্ব বাড়ছে এবং পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই অনিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়তে পারে। কোনো তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপন না করেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট এটিকে একটি ‘লিবারেল টেকওভার’ বা উদারপন্থীদের অন্যায্য আধিপত্য বলে আখ্যা দেন।
তবে ট্রাম্পের এই দাবির সঙ্গে কানাডার বর্তমান অভিবাসন চিত্রের মিল নেই। আবাসন ও কর্মসংস্থানের ওপর চাপ কমাতে গত দুই বছর ধরেই অভিবাসীর সংখ্যা কাটছাঁট করছে অটোয়া। দেশটির ইমিগ্রেশন বিভাগের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত অস্থায়ী বাসিন্দা আসার সংখ্যা ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায় ৬৬ শতাংশ কমে এসেছে।
কানাডা সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো দর্শনার্থী, শিক্ষার্থী, কর্মী কিংবা শরণার্থীর ক্ষেত্রে কঠোর নিরাপত্তা ও পটভূমি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া বহাল রয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ, মানবাধিকার লঙ্ঘন বা নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ ব্যক্তিদের প্রবেশ ঠেকানোয় কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।
\

আপনার মতামত লিখুন