হবিগঞ্জের চুনারুঘাট–সাটিয়াজুরী সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা ঝোপঝাড়ের কারণে প্রতিনিয়ত ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কের বাঁক ও সংযোগ সড়কগুলোতে অপর পাশ থেকে আসা যানবাহন দেখতে না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরসহ নানা ধরণের যানবাহন চলাচলকারী এই সড়কটি এখন চালকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঝোপঝাড়ের কারণে দৃষ্টিসীমা বিঘ্নিত হয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় রানিগাঁওয়ের মো. আশরাফ উদ্দিন নামে এক অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝোপঝাড় পরিষ্কারের বিষয়ে দুই সপ্তাহ আগে হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি দ্রুত পরিষ্কারের আশ্বাস দিলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে একজনের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী এইচ এম মাসুক বলেন, ‘ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে সামান্য সময় ও খরচ লাগে, কিন্তু একটি প্রাণ চলে গেলে সেই ক্ষতি কখনোই পূরণ সম্ভব নয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগ কেন উদাসীন, তা বোধগম্য নয়।’
ঝোপঝাড় দ্রুত অপসারণ করে সড়কে স্পষ্ট দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট–সাটিয়াজুরী সড়কের দুই পাশে দীর্ঘদিন ধরে গড়ে ওঠা ঝোপঝাড়ের কারণে প্রতিনিয়ত ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটছে। সড়কের বাঁক ও সংযোগ সড়কগুলোতে অপর পাশ থেকে আসা যানবাহন দেখতে না পাওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।
সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও ট্রাক্টরসহ নানা ধরণের যানবাহন চলাচলকারী এই সড়কটি এখন চালকদের জন্য এক আতঙ্কের নাম। গত মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় ঝোপঝাড়ের কারণে দৃষ্টিসীমা বিঘ্নিত হয়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় রানিগাঁওয়ের মো. আশরাফ উদ্দিন নামে এক অটোরিকশাচালক গুরুতর আহত হন। তিনি বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেটের একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঝোপঝাড় পরিষ্কারের বিষয়ে দুই সপ্তাহ আগে হবিগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী পার্থ সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তিনি দ্রুত পরিষ্কারের আশ্বাস দিলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। এরই মধ্যে একজনের জীবন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী এইচ এম মাসুক বলেন, ‘ঝোপঝাড় পরিষ্কার করতে সামান্য সময় ও খরচ লাগে, কিন্তু একটি প্রাণ চলে গেলে সেই ক্ষতি কখনোই পূরণ সম্ভব নয়। সড়ক ও জনপথ বিভাগ কেন উদাসীন, তা বোধগম্য নয়।’
ঝোপঝাড় দ্রুত অপসারণ করে সড়কে স্পষ্ট দৃশ্যমানতা নিশ্চিত করতে সড়ক ও জনপথ বিভাগসহ স্থানীয় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী।

আপনার মতামত লিখুন