সংবাদ

‘প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড’


প্রতিনিধি, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)
প্রতিনিধি, বাঁশখালী (চট্টগ্রাম)
প্রকাশ: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ পিএম

‘প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড’
বাঁশখালীতে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এ কার্ড পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলম আরও বলেন, “তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। এই কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “একবারে হতদরিদ্ররা প্রথম ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। একবারে চার বছরের শেষ সময়ে গিয়ে পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী অর্থাৎ ফ্যামিলিরা।”

সরকারের মেয়াদ এখনো অল্প সময় হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে।”

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।”

সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমাও চান মন্ত্রী।

বন্যার সময় ত্রাণের সংকট দেখা দিলে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেও জানান মীর শাহে আলম। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি বাঁশখালীতে এসেছেন এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।”

বাঁশখালীর অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হলে সেগুলোর তালিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দলের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, “দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।”

আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও বিভিন্ন কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬


‘প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও পাবেন ফ্যামিলি কার্ড’

প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, দেশের চার কোটি পরিবারকে পর্যায়ক্রমে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনা হবে। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও এ কার্ড পাবেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে বন্যাদুর্গতদের পুনর্বাসনে আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে মীর শাহে আলম আরও বলেন, “তারেক রহমানের সরকার জনগণের সরকার। সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হচ্ছে। এই কার্ড পেতে কাউকে ঘুষ দিতে হবে না। এই কার্ড সবাই পাবেন পর্যায়ক্রমে। প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানও ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এটি বিএনপি সরকারের সিদ্ধান্ত।”

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, “একবারে হতদরিদ্ররা প্রথম ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এরপর নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। একবারে চার বছরের শেষ সময়ে গিয়ে পাবেন মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী অর্থাৎ ফ্যামিলিরা।”

সরকারের মেয়াদ এখনো অল্প সময় হয়েছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ, গ্যাসসহ বিভিন্ন খাতে পরিবর্তন আনতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। পাঁচ বছর পর জনগণের কাছে গিয়ে সরকারের কর্মকাণ্ডের হিসাব দেওয়া হবে।”

সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকারের উদ্যোগের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আকস্মিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যায় বাঁশখালী, চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে।”

সরকারি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ঘাটতি হয়ে থাকলে জনগণের কাছে ক্ষমাও চান মন্ত্রী।

বন্যার সময় ত্রাণের সংকট দেখা দিলে জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় বরাদ্দের ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলেও জানান মীর শাহে আলম। তার ভাষ্য, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশেই তিনি বাঁশখালীতে এসেছেন এবং বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বাঁশখালীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আনোয়ারা-বাঁশখালী-চকরিয়া সড়কটি ৩৪ ফুট প্রশস্ত করার জন্য ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে। কয়েকশ কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটির কাজ আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।”

বাঁশখালীর অন্যান্য রাস্তা সংস্কার বা নতুন করে নির্মাণের প্রয়োজন হলে সেগুলোর তালিকা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

দলের নেতাকর্মীদের ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, “দীর্ঘ সময় পর বিএনপি ক্ষমতায় এসেছে। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, পর্যায়ক্রমে তাদের মূল্যায়ন করা হবে।”

আইন ও বিধি মেনে চাকরি, বৈধ ডিলারশিপ ও বিভিন্ন কাজের সুযোগ দেওয়ার কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য, সরকারি কর্মকর্তা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত