প্রায় দুই মাস পর আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল গ্যাস সরবরাহ। গত ১৬ আগস্ট থেকেই মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল পুরো সক্ষমতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করছিল।
তবে সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। এতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তরে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে এলএনজি সরবরাহ কমায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমেছে।
বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়ার উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। অনিবার্য কারণে গ্যাস সরবরাহ কমায় গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। অর্থাৎ ৪০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে।
সূত্র বলছে, দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। এলএনজি রূপান্তর করে পাইপলাইনে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান দুটি টার্মিনাল আছে। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ও আরেকটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। দুটি টার্মিনাল মিলে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করতে পারে।
এলএনজি ফুরিয়ে যাওয়ায় একটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে আজ বিকেল পাঁচটায়। এলএনজি নিয়ে নতুন জাহাজ এলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টার্মিনালে স্থানান্তর করা যায়নি। এরপর থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫৯ কোটি ঘনফুট। কয়েক দিন ধরে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল।
এর আগে গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসে। দেশে তীব্র গ্যাসসংকট দেখা দেয়।
গত ১৫ আগস্ট ওই টার্মিনাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহের জন্য তৈরি হলেও আমদানি করা জাহাজ না আসায় সরবরাহ বাড়ানো যাচ্ছিল না। এ মাসে আমদানি স্বাভাবিক হওয়ার পর সরবরাহ বাড়ানো হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রায় দুই মাস পর আগের মতো স্বাভাবিক হয়ে এসেছিল গ্যাস সরবরাহ। গত ১৬ আগস্ট থেকেই মহেশখালীর দুটি ভাসমান টার্মিনাল পুরো সক্ষমতায় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ করছিল।
তবে সমুদ্রে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) এলএনজি সরবরাহ কমে গেছে। এতে পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ কমায় গ্রাহকের কিছুটা ভোগান্তি তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তরে বিঘ্ন ঘটেছে। ফলে এলএনজি সরবরাহ কমায় সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ কিছুটা কমেছে।
বঙ্গোপসাগরে আবহাওয়ার উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ে গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। অনিবার্য কারণে গ্যাস সরবরাহ কমায় গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে পেট্রোবাংলা।
পেট্রোবাংলা সূত্র বলছে, দিনে গ্যাসের চাহিদা ৩৮০ কোটি ঘনফুট হলেও ২৬৫ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হচ্ছিল দীর্ঘদিন ধরে। বুধবারও সরবরাহ করা হয়েছে ২৬০ কোটি ঘনফুট। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছে ২২০ কোটি ঘনফুটে। অর্থাৎ ৪০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে।
সূত্র বলছে, দেশে সরবরাহ করা গ্যাসের ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ আসে আমদানি করা এলএনজি থেকে। এলএনজি রূপান্তর করে পাইপলাইনে সরবরাহের জন্য কক্সবাজারের মহেশখালীতে সমুদ্রে ভাসমান দুটি টার্মিনাল আছে। এর একটি মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ও আরেকটি দেশীয় কোম্পানি সামিটের। দুটি টার্মিনাল মিলে সর্বোচ্চ ১০৫ কোটি ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করতে পারে।
এলএনজি ফুরিয়ে যাওয়ায় একটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে আজ বিকেল পাঁচটায়। এলএনজি নিয়ে নতুন জাহাজ এলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে টার্মিনালে স্থানান্তর করা যায়নি। এরপর থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে ৫৯ কোটি ঘনফুট। কয়েক দিন ধরে প্রায় ১০০ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হচ্ছিল।
এর আগে গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেটের ভাসমান টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের পর সেটি থেকে সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। এতে এলএনজি থেকে গ্যাস সরবরাহ অর্ধেকে নেমে আসে। দেশে তীব্র গ্যাসসংকট দেখা দেয়।
গত ১৫ আগস্ট ওই টার্মিনাল পুরোদমে গ্যাস সরবরাহের জন্য তৈরি হলেও আমদানি করা জাহাজ না আসায় সরবরাহ বাড়ানো যাচ্ছিল না। এ মাসে আমদানি স্বাভাবিক হওয়ার পর সরবরাহ বাড়ানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন