ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। ওই অডিওতে সরকার, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য শোনা যায়।
রাকিবুল দাবি করেছিলেন, অডিওটি তার নয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে রাকিবুলকে বলতে শোনা যায়, “শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসছে, কিছু হবে না। রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল, আপনারা চিন্তাও করতে পারছেন না। চলে আসলে এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না।”
এ ছাড়া পুলিশের শীর্ষপর্যায়ে বদলি-পদায়ন বাণিজ্য, আইজিপির গাড়িচালকের মাধ্যমে ওসি পদায়ন এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উঠে আসে ওই অডিওতে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিশ্লেষণে ওই অডিও রেকর্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শককে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্ত কমিটি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অসংলগ্ন বক্তব্য দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি।
অডিওতে পাওয়া তথ্যগুলো তদন্তে প্রমাণ হলে কেবল চাকরিচ্যুতই নয়, প্রচলিত আইন ও বিভাগীয় বিধিমালা অনুযায়ী তাকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডসহ চরম শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) অভিযুক্ত রাকিবুলের বিরুদ্ধে তদন্তের উদ্যোগ নিতে পারে বলে জানা গেছে।
অডিওটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা আদেশে রাকিবুলকে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
এর পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি মিছিলের ঘটনায় গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন এবং গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাকিবুল হাসানকে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আদালত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়।
এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অডিওকে কেন্দ্র করে তাকে ডিবি হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল। ওই অডিওতে সরকার, পুলিশসহ বিভিন্ন বাহিনী নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য শোনা যায়।
রাকিবুল দাবি করেছিলেন, অডিওটি তার নয় এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে।
ভাইরাল হওয়া অডিওতে রাকিবুলকে বলতে শোনা যায়, “শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে আসছে, কিছু হবে না। রাস্তার পুলিশ কত দুর্বল, আপনারা চিন্তাও করতে পারছেন না। চলে আসলে এই পুলিশ কিচ্ছু করতে পারবে না।”
এ ছাড়া পুলিশের শীর্ষপর্যায়ে বদলি-পদায়ন বাণিজ্য, আইজিপির গাড়িচালকের মাধ্যমে ওসি পদায়ন এবং বিভিন্ন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উঠে আসে ওই অডিওতে।
পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ফরেনসিক বিশ্লেষণে ওই অডিও রেকর্ডের পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত পুলিশ পরিদর্শককে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে তদন্ত কমিটি। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি অসংলগ্ন বক্তব্য দিয়েছেন বলে সূত্রের দাবি।
অডিওতে পাওয়া তথ্যগুলো তদন্তে প্রমাণ হলে কেবল চাকরিচ্যুতই নয়, প্রচলিত আইন ও বিভাগীয় বিধিমালা অনুযায়ী তাকে দীর্ঘমেয়াদি কারাদণ্ডসহ চরম শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে।পাশাপাশি দুর্নীতি দমন কমিশনও (দুদক) অভিযুক্ত রাকিবুলের বিরুদ্ধে তদন্তের উদ্যোগ নিতে পারে বলে জানা গেছে।
অডিওটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ঘটনার পর ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমেদের সই করা আদেশে রাকিবুলকে ডিএমপি সদর দপ্তর ও প্রশাসন বিভাগের কেন্দ্রীয় সংরক্ষণ দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।
এর পরদিন ১৭ সেপ্টেম্বর গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের একটি মিছিলের ঘটনায় গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন এবং গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এম তানভীর আহমেদকে প্রত্যাহার করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন