চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাহের খলিশাডুলী এলাকায় একটি নার্সারির ফলজসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমাণ গাছের চারা বিষ দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী পরিবার চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
নার্সারির মালিক আল আমিন সুমন জানান, লিজ নেওয়া জমিতে তার বাবা নাছির মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এই নার্সারি পরিচালনা করে আসছিলেন। সেখানে লাখ লাখ টাকা মূল্যের দেশি-বিদেশি ফলজ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ছিল। দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে বিষ প্রয়োগ করে চারাগুলো পুড়িয়ে নষ্ট করে দিয়েছে।
জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে দাবি করে আল আমিন সুমন বলেন, ‘আমাদের এই নার্সারিটি লিজ নেওয়া জমিতে করা। বেশ কিছু দিন ধরে জমির মালিকপক্ষের সঙ্গে লিজ নিয়ে ঝামেল চলছিল। মালিকপক্ষ আমাদের সঙ্গে না পেরে পরিকল্পিতভাবে গাছের সঙ্গে এমন অমানবিক শত্রুতা করেছে। এতে আমরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমির লিজ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে গাছের মতো অবোলা প্রাণ ও সম্পদের ওপর এমন ক্ষতিকর কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জমির মালিকপক্ষের কারো সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা জানান, নার্সারির গাছ কেটে ও বিষ দিয়ে নষ্ট করার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুর পৌরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাহের খলিশাডুলী এলাকায় একটি নার্সারির ফলজসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমাণ গাছের চারা বিষ দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) ভুক্তভোগী পরিবার চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
নার্সারির মালিক আল আমিন সুমন জানান, লিজ নেওয়া জমিতে তার বাবা নাছির মোল্লা দীর্ঘদিন ধরে এই নার্সারি পরিচালনা করে আসছিলেন। সেখানে লাখ লাখ টাকা মূল্যের দেশি-বিদেশি ফলজ ও বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা ছিল। দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে বিষ প্রয়োগ করে চারাগুলো পুড়িয়ে নষ্ট করে দিয়েছে।
জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে এই ঘটনা ঘটেছে দাবি করে আল আমিন সুমন বলেন, ‘আমাদের এই নার্সারিটি লিজ নেওয়া জমিতে করা। বেশ কিছু দিন ধরে জমির মালিকপক্ষের সঙ্গে লিজ নিয়ে ঝামেল চলছিল। মালিকপক্ষ আমাদের সঙ্গে না পেরে পরিকল্পিতভাবে গাছের সঙ্গে এমন অমানবিক শত্রুতা করেছে। এতে আমরা চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছি। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও ক্ষতিপূরণ চাই।’
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জমির লিজ সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে গাছের মতো অবোলা প্রাণ ও সম্পদের ওপর এমন ক্ষতিকর কাজ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জমির মালিকপক্ষের কারো সঙ্গে তাৎক্ষণিকভাবে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোস্তফা জানান, নার্সারির গাছ কেটে ও বিষ দিয়ে নষ্ট করার বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন