সংবাদ

মাদ্রাসা থেকে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, অভিভাবকদের মুচলেকা


প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা
প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০১ পিএম

মাদ্রাসা থেকে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, অভিভাবকদের মুচলেকা
ছবি : সংবাদ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাল্যে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ১৬ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে। গত দেড় বছরের মধ্যে এসব বিয়ে হয়। এর মধ্যে তিন ছাত্রীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় তারা বাবার বাড়িতে ফিরে এসে আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই ১৬ ছাত্রীর অভিভাবকদের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। তাদের সঙ্গে ১৩ জন ছাত্রীও ছিল। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা তাঁদের নথিপত্র যাচাই করেন।

ইউএনও অর্ণব দত্ত উপস্থিত হয়ে অভিভাবকদের কথা শুনলে কেউ প্রেমের সম্পর্ক, কেউ মুঠোফোনে পরিচয় এবং কেউ বখাটেদের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে গোপনে বিয়ে দেওয়ার কথা জানান। ইউএনও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনো ছাত্রী ঝুঁকিতে থাকলে প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরে প্রশাসনকে জানাতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান এই দায় এড়াতে পারেন না।

বৈঠক শেষে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় যে মেয়েদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো যাবে না এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বিবিএসের তথ্যমতে, দেশে বাল্যবিবাহের হারে সাতক্ষীরা জেলা অষ্টম স্থানে রয়েছে, যেখানে বাল্যবিবাহের হার ৬২ শতাংশের বেশি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬


মাদ্রাসা থেকে ১৬ ছাত্রীর বাল্যবিবাহ, অভিভাবকদের মুচলেকা

প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার শাল্যে আদর্শ দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির ১৬ জন ছাত্রীর বাল্যবিবাহের ঘটনা ঘটেছে। গত দেড় বছরের মধ্যে এসব বিয়ে হয়। এর মধ্যে তিন ছাত্রীর বিয়ে ভেঙে যাওয়ায় তারা বাবার বাড়িতে ফিরে এসে আবার পড়াশোনা শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ওই ১৬ ছাত্রীর অভিভাবকদের সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে ডেকে আনা হয়। তাদের সঙ্গে ১৩ জন ছাত্রীও ছিল। মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রকল্প কর্মকর্তা ফাতেমা জোহরা তাঁদের নথিপত্র যাচাই করেন।

ইউএনও অর্ণব দত্ত উপস্থিত হয়ে অভিভাবকদের কথা শুনলে কেউ প্রেমের সম্পর্ক, কেউ মুঠোফোনে পরিচয় এবং কেউ বখাটেদের উপদ্রব থেকে রক্ষা করতে গোপনে বিয়ে দেওয়ার কথা জানান। ইউএনও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, কোনো ছাত্রী ঝুঁকিতে থাকলে প্রথমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান ও পরে প্রশাসনকে জানাতে হবে। প্রতিষ্ঠান প্রধান এই দায় এড়াতে পারেন না।

বৈঠক শেষে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয় যে মেয়েদের ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে শ্বশুরবাড়িতে পাঠানো যাবে না এবং তাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে হবে। নির্দেশ অমান্য করলে আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, বিবিএসের তথ্যমতে, দেশে বাল্যবিবাহের হারে সাতক্ষীরা জেলা অষ্টম স্থানে রয়েছে, যেখানে বাল্যবিবাহের হার ৬২ শতাংশের বেশি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত