উজানের পাহাড় ঢল ও টানা প্রবল বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ফলে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১১ মিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপদসীমার মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় তিস্তার পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদী অববাহিকার চরাঞ্চল ও প্লাবনভূমি সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
একই সময়ে ধরলা নদীর শিমুলবাড়ী পয়েন্টেও পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৮৫ মিটারে পৌঁছেছে, যা বিপৎসীমার ২ দশমিক ০২ মিটার নিচে রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির ফলে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা নতুন করে আতঙ্কে রয়েছেন। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, উজান থেকে আসা পানির চাপে নদীর পানি বাড়ছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
/

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
উজানের পাহাড় ঢল ও টানা প্রবল বর্ষণে লালমনিরহাটে তিস্তা নদীর পানি আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। ফলে তিস্তাপাড়ের নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে স্বল্পমেয়াদি বন্যা দেখা দেওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১১ মিটার। এই পয়েন্টে পানির বিপৎসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটার, যা বিপদসীমার মাত্র ৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র জানিয়েছে, উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় লালমনিরহাটসহ উত্তরের কয়েকটি জেলায় তিস্তার পানি সতর্কসীমা অতিক্রম করতে পারে। এতে নদী অববাহিকার চরাঞ্চল ও প্লাবনভূমি সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
একই সময়ে ধরলা নদীর শিমুলবাড়ী পয়েন্টেও পানি বৃদ্ধি পেয়ে ২৮ দশমিক ৮৫ মিটারে পৌঁছেছে, যা বিপৎসীমার ২ দশমিক ০২ মিটার নিচে রয়েছে।
পানি বৃদ্ধির ফলে হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা নতুন করে আতঙ্কে রয়েছেন। লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুনীল কুমার জানান, উজান থেকে আসা পানির চাপে নদীর পানি বাড়ছে এবং পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
/

আপনার মতামত লিখুন