কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে জামায়াত ও বিএনপির স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মিরপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মিরপুর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম (৪৫), জামায়াত সমর্থক মো. মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম (৪৫) এবং বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম (৫৩)।
মিরপুর থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিতলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমানকে একটি নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে সরাসরি থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, হাফিজুর রহমানের গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল থানায় হাজির হয়। তারা পুলিশকে হাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন এবং বারবার সুপারিশ ও তদবির চালান।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন এবং বারবার আসামিকে ছেড়ে দিতে বলছিলেন। একপর্যায়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তাদের সবাইকে আটক করা হয়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে মুচলেকা নিয়ে দুই দলের (বিএনপি ও জামায়াত) স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুষ্টিয়ার মিরপুরে নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া এক আসামিকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেওয়ার তদবির করতে গিয়ে জামায়াত ও বিএনপির স্থানীয় ৮ নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে মিরপুর থানায় এ ঘটনা ঘটে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মিরপুর উপজেলার চিতলিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলাম (৪৫), জামায়াত সমর্থক মো. মারুফ (২১), বাশার (৩৫), মফিজুল প্রামাণিক (৪০), জাহাঙ্গীর হোসেন (৪০), বাদল প্রামাণিক (৫০), বিএনপি নেতা মেহেরুল ইসলাম (৪৫) এবং বিএনপি সমর্থক শহীদুল ইসলাম (৫৩)।
মিরপুর থানা-পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে চিতলিয়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওয়ার্ড কৃষকলীগের সভাপতি হাফিজুর রহমানকে একটি নাশকতা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর তাকে সরাসরি থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, হাফিজুর রহমানের গ্রেপ্তারের খবর পেয়ে রাত দুইটার দিকে ওয়ার্ড জামায়াতের আমির সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ৮ থেকে ১০ জনের একটি দল থানায় হাজির হয়। তারা পুলিশকে হাফিজুরকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন এবং বারবার সুপারিশ ও তদবির চালান।
মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, নিষেধ করা সত্ত্বেও তারা পুলিশের ওপর চাপ সৃষ্টি করছিলেন এবং বারবার আসামিকে ছেড়ে দিতে বলছিলেন। একপর্যায়ে অসৌজন্যমূলক আচরণের কারণে তাদের সবাইকে আটক করা হয়। পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে মুচলেকা নিয়ে দুই দলের (বিএনপি ও জামায়াত) স্থানীয় দায়িত্বশীল নেতাদের জিম্মায় তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন