পূর্ব সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে চার জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু মজনু বাহিনী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে শরণখোলা রেঞ্জের আমবাড়িয়া এবং কটকার কালামিয়ার ভারাণী এলাকা থেকে ওই জেলেদের অপহরণ করা হয়। এ সময় পাঁচটি মোবাইল সেট ও একটি মাছ ধরার নৌকাও নিয়ে যায় দস্যুরা। এ ঘটনায় উপকূলের জেলে ও মহাজনদের মধ্যে নতুন করে দস্যু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
অপহৃত জেলেদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন রিপন (২৬), ফরিদ (৩০) ও রিপন (২৮)। এসব জেলের বাড়ি খুলনার কয়রা, বাগেরহাটের শরণখোলা ও রামপাল এলাকায় বলে জানিয়েছেন অপহৃতদের মহাজনরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহাজনরা জানান, বনদস্যু মজনু বাহিনীর ১০-১২ জন সশস্ত্র দস্যু একটি ট্রলারযোগে এসে জেলেবহরে হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে পৃথক স্থান থেকে চারটি নৌকা থেকে চারজনকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল সেট ও একটি নৌকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় দস্যুরা। তবে অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণের বিষয়ে দস্যুরা এখন পর্যন্ত কোনো মহাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিল্টন রায় জানান, জেলে অপহরণের খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। জেলেদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পূর্ব সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে চার জেলেকে অপহরণ করেছে বনদস্যু মজনু বাহিনী। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে শরণখোলা রেঞ্জের আমবাড়িয়া এবং কটকার কালামিয়ার ভারাণী এলাকা থেকে ওই জেলেদের অপহরণ করা হয়। এ সময় পাঁচটি মোবাইল সেট ও একটি মাছ ধরার নৌকাও নিয়ে যায় দস্যুরা। এ ঘটনায় উপকূলের জেলে ও মহাজনদের মধ্যে নতুন করে দস্যু আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
অপহৃত জেলেদের মধ্যে তিনজনের নাম জানা গেছে। তারা হলেন রিপন (২৬), ফরিদ (৩০) ও রিপন (২৮)। এসব জেলের বাড়ি খুলনার কয়রা, বাগেরহাটের শরণখোলা ও রামপাল এলাকায় বলে জানিয়েছেন অপহৃতদের মহাজনরা।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে মহাজনরা জানান, বনদস্যু মজনু বাহিনীর ১০-১২ জন সশস্ত্র দস্যু একটি ট্রলারযোগে এসে জেলেবহরে হানা দেয়। তারা অস্ত্রের মুখে জেলেদের জিম্মি করে পৃথক স্থান থেকে চারটি নৌকা থেকে চারজনকে তুলে নিয়ে যায়। এ সময় জেলেদের ব্যবহৃত পাঁচটি মোবাইল সেট ও একটি নৌকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায় দস্যুরা। তবে অপহৃত জেলেদের মুক্তিপণের বিষয়ে দস্যুরা এখন পর্যন্ত কোনো মহাজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।
পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের দুবলা টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মিল্টন রায় জানান, জেলে অপহরণের খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে। জেলেদের অবস্থান শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন