বিশ্ববাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করলেও ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই বিষয়ে তাদের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি ট্রাম্পের মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন সময় একই বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ফলে তেহরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত উত্তরের ওপর ভিত্তি করেই তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। আরাঘচি জানান, কেবল একটি দ্বিপক্ষীয় সফল আলোচনার মাধ্যমেই চলমান দীর্ঘ সংঘাতের কূটনৈতিক অবসান সম্ভব।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া প্রস্তাবটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরান সাত দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ দিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় কারণ তারা নিজেরা মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি। তবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে এবং তারা এই প্রস্তাব গ্রহণ করছে না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত আলোচনায় তারা প্রণালিটি খুলে দেওয়া ও সংঘাত কমানোর বিষয়টি তুলেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তানুসারেই প্রণালিটি উন্মুক্ত করার বিষয়টি এখনও বহাল রয়েছে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া এই হরমুজ প্রণালিটি মূলত গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরুর পর থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে। তেহরানের মতে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে লিখিত সিদ্ধান্ত আসার পরই ইরান তাদের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবে।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
বিশ্ববাণিজ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত জলপথ হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের দেওয়া প্রস্তাব প্রকাশ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রত্যাখ্যান করলেও ওয়াশিংটনের আনুষ্ঠানিক জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে তেহরান। সম্প্রতি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এই বিষয়ে তাদের অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি ট্রাম্পের মন্তব্যের কথা উল্লেখ করে বলেন, অতীতেও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন সময় একই বিষয়ে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। ফলে তেহরান কেবল যুক্তরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক ও চূড়ান্ত উত্তরের ওপর ভিত্তি করেই তাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করবে। আরাঘচি জানান, কেবল একটি দ্বিপক্ষীয় সফল আলোচনার মাধ্যমেই চলমান দীর্ঘ সংঘাতের কূটনৈতিক অবসান সম্ভব।
বিবিসির প্রতিবেদন অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের দেওয়া প্রস্তাবটিকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ হিসেবে অভিহিত করেন। ট্রাম্প দাবি করেন, তেহরান সাত দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের সুযোগ দিয়ে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে চায় কারণ তারা নিজেরা মারাত্মক অর্থনৈতিক ক্ষতির মুখোমুখি। তবে ট্রাম্প সাফ জানিয়ে দেন, যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালির ওপর তাদের পূর্ণ কর্তৃত্ব স্থাপন করেছে এবং তারা এই প্রস্তাব গ্রহণ করছে না।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অবশ্য জানিয়েছেন, নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সাম্প্রতিক অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত আলোচনায় তারা প্রণালিটি খুলে দেওয়া ও সংঘাত কমানোর বিষয়টি তুলেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্তানুসারেই প্রণালিটি উন্মুক্ত করার বিষয়টি এখনও বহাল রয়েছে।
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হওয়া এই হরমুজ প্রণালিটি মূলত গত ফেব্রুয়ারি মাসে সংঘাত শুরুর পর থেকেই কার্যত অবরুদ্ধ রয়েছে। তেহরানের মতে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে ট্রাম্প প্রশাসনের কাছ থেকে লিখিত সিদ্ধান্ত আসার পরই ইরান তাদের চূড়ান্ত প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করবে।

আপনার মতামত লিখুন