চাঁদপুরজুড়ে দিন দিন বাড়তে থাকা কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রবণতা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এক বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। রোববার দিনগত রাতে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা ও গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) পরিচালিত এই সমন্বিত অভিযানে ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশে এবং চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের তদারকিতে চাঁদপুর সদর মডেল থানাসহ পুরো জেলাজুড়ে এ অভিযান চালানো হয়। উঠতি বয়সী তরুণদের নানা অপকর্ম ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে শহর ও গ্রামের জনবহুল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে কেন্দ্র করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের বেশ কয়েকটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের তথ্যাদি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার বা সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে আটক ব্যক্তিদের বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের থানায় অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। সন্তানকে সঠিক পথে রাখা, পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা ও যেকোনো ধরণের অপরাধ মূলক সঙ্গ ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে আটক তরুণদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে জেলার জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান সামনেও অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁদপুরজুড়ে দিন দিন বাড়তে থাকা কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত, বিভিন্ন ধরনের অপরাধ প্রবণতা ও আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নিতকারী কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে এক বিশেষ অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। রোববার দিনগত রাতে জেলার বিভিন্ন থানা এলাকা ও গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) পরিচালিত এই সমন্বিত অভিযানে ৩৭০ জনকে আটক করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রের খবর, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজির নির্দেশে এবং চাঁদপুর জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমানের তদারকিতে চাঁদপুর সদর মডেল থানাসহ পুরো জেলাজুড়ে এ অভিযান চালানো হয়। উঠতি বয়সী তরুণদের নানা অপকর্ম ও কিশোর গ্যাংয়ের বিস্তার রোধে শহর ও গ্রামের জনবহুল এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোকে কেন্দ্র করে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে জেলা পুলিশ ও ডিবি পুলিশের বেশ কয়েকটি দল অংশ নেয়।
আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও তাদের তথ্যাদি নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল। পুলিশ প্রশাসন জানিয়েছে, যাদের বিরুদ্ধে মাদক কারবার বা সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
তবে আটক ব্যক্তিদের বড় অংশই অপ্রাপ্তবয়স্ক ও তরুণ। যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, তাদের থানায় অভিভাবকদের উপস্থিতিতে প্রাথমিক সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে। সন্তানকে সঠিক পথে রাখা, পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখা ও যেকোনো ধরণের অপরাধ মূলক সঙ্গ ত্যাগ করার নির্দেশ দিয়ে অভিভাবকদের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে আটক তরুণদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে।
কিশোর অপরাধ নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় অভিভাবকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে চাঁদপুর জেলা পুলিশ। একই সঙ্গে জেলার জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান সামনেও অব্যাহত থাকবে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়।

আপনার মতামত লিখুন