যশোরে শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
যশোর কালেক্টরেট সভাকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রস্তুতিসভায় জানানো হয়, এ বছর যশোরের আটটি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৭৩৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭০৯টি, অর্থাৎ এ বছর জেলায় ২৮টি মণ্ডপ বেড়েছে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রতিটি পূজা মণ্ডপে সরকারি অনুদানের চালের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। পূর্বে প্রতি মণ্ডপে ৫০০ কেজি চাল দেওয়া হলেও এ বছর তা বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পূজার নিরাপত্তা সুসংহত করতে বিশেষ একগুচ্ছ নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। আগামী ১ অক্টোবর থেকে জেলাজুড়ে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনে বিশেষ তল্লাশি জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান। বিশেষ করে প্রতিমা নির্মাণের সময় এবং পূজার দিনগুলোতে গভীর রাতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মণ্ডপ কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব ঠেকাতে ছাত্রসংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ আতশবাজির অনুপ্রবেশ রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপচয় রোধে মণ্ডপগুলোতে আলোকসজ্জা সীমিত রাখার অনুরোধও জানানো হয়।
জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন ও সাধারণ সম্পাদক তপন ঘোষসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যশোরে শারদীয় দুর্গাপূজা ঘিরে সার্বিক প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে সম্পূর্ণ নিরাপত্তা ও উৎসবমুখর পরিবেশে পূজা উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
যশোর কালেক্টরেট সভাকক্ষে জেলা প্রশাসন আয়োজিত প্রস্তুতিসভায় জানানো হয়, এ বছর যশোরের আটটি উপজেলায় স্থায়ী ও অস্থায়ী মিলিয়ে মোট ৭৩৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৭০৯টি, অর্থাৎ এ বছর জেলায় ২৮টি মণ্ডপ বেড়েছে।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, প্রতিটি পূজা মণ্ডপে সরকারি অনুদানের চালের পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। পূর্বে প্রতি মণ্ডপে ৫০০ কেজি চাল দেওয়া হলেও এ বছর তা বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পূজার নিরাপত্তা সুসংহত করতে বিশেষ একগুচ্ছ নির্দেশনার কথা তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী। আগামী ১ অক্টোবর থেকে জেলাজুড়ে মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যানবাহনে বিশেষ তল্লাশি জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান। বিশেষ করে প্রতিমা নির্মাণের সময় এবং পূজার দিনগুলোতে গভীর রাতে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে মণ্ডপ কমিটি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক নজরদারি রাখতে বলা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ও গুজব ঠেকাতে ছাত্রসংগঠন ও রাজনৈতিক দলগুলোকে সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাদক, অস্ত্র ও অবৈধ আতশবাজির অনুপ্রবেশ রোধে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপচয় রোধে মণ্ডপগুলোতে আলোকসজ্জা সীমিত রাখার অনুরোধও জানানো হয়।
জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসানের সভাপতিত্বে সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সুজন সরকার, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট সৈয়দ সাবেরুল হক সাবু, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপঙ্কর দাস রতন ও সাধারণ সম্পাদক তপন ঘোষসহ প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন