ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর জয়ের যে নতুন আশার আলো দেখেছিল নরওয়ে, তা মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে। গোলরক্ষক ওরজান নাইলান্ডের চরম ভুলের সুযোগ নিয়ে গনসালো রামোসের দেওয়া গোল নরওয়ের সব সমীকরণ এলোমেলো করে দিল। নরওয়েকে তাদেরই মাটিতে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিল পর্তুগাল। দলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো না থাকলেও জয়রথ সচল রেখেছে জর্জ জেসুসের শিষ্যরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ওসলোর উলেভাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। পর্তুগালের জোয়াও নেভেসের হেড অল্পের জন্য নিশানা মিস করার পর উল্টো প্রান্তে আর্লিং হলান্ডের বুলেটগতির শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন পর্তুগিজ প্রাচীর দিয়োগো কস্তা।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম আনন্দের মুহূর্ত পায় পর্তুগাল। পেদ্রো নেতোর বুদ্ধিদীপ্ত কাটব্যাক থেকে বক্সের বাইরে দূরপাল্লার শটে নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে পর্তুগালকে ১-০ তে এগিয়ে দেন জোয়াও ফেলিক্স। পিছিয়ে পড়ার পরও সমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালায় স্বাগতিকেরা। তবে প্রথমার্ধে হলান্ডের একাধিক বিষাক্ত হেড ও চেষ্টা রুখে দিয়ে পর্তুগালকে লিড ধরে রাখতে সাহায্য করেন কস্তা।
দ্বিতীয় অর্ধে অবশ্য নরওয়ের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটান সেই হলান্ডই। মার্টিন ওদেগার্দের নেওয়া ফ্রি-কিক পর্তুগিজ গোলরক্ষক কস্তা পুরোপুরি সামলাতে না পারলে প্যাট্রিক বার্গ হেড করে বল বাড়িয়ে দেন হলান্ডের দিকে। ছয় গজের বক্সের ভেতর ভুল করেননি ম্যানচেস্টার সিটি তারকা, নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন তিনি।
তবে নরওয়ের উল্লাস স্থায়ী হয়নি তিন মিনিটও। নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক নাইলান্ডের এক আত্মঘাতী ভুলের সুযোগ কাজে লাগায় পর্তুগাল। পজিশন ছেড়ে সামনে বেরিয়ে আসা নাইলান্ডকে পরাস্ত করে মাথার উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়িয়ে দেন রামোস। ফলে আবার ২-১ এ এগিয়ে যায় অতিথি পর্তুগাল।
ম্যাচের বাকি সময়ে আন্দ্রেয়াস শিয়েলড্রুপের প্রচেষ্টা কস্তা রুখে দিলে আর ম্যাচে ফেরা হয়নি নরওয়ের। অন্যদিকে বদলি নামা রাফায়েল লেয়াওর শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং রামোসের আরেকটি গোল ভিএআরের (VAR) পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে নাকচ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখেই তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা।
ওয়েলস ম্যাচের পর্তুগাল একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ জেসুস, যার মূল চমক ছিল রোনালদোকে বিশ্রামে রাখা। তবে অধিনায়কের অভাব বুঝতে দেননি জোয়াও ফেলিক্স। নেশনস লিগে পরপর দুই ম্যাচেই জালের দেখা পেলেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড, যা দেশের হয়ে তার শেষ ১১টি শুরুর ম্যাচে ষষ্ঠ গোল।
\

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ম্যাচে সমতা ফেরানোর পর জয়ের যে নতুন আশার আলো দেখেছিল নরওয়ে, তা মিলিয়ে গেল মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যবধানে। গোলরক্ষক ওরজান নাইলান্ডের চরম ভুলের সুযোগ নিয়ে গনসালো রামোসের দেওয়া গোল নরওয়ের সব সমীকরণ এলোমেলো করে দিল। নরওয়েকে তাদেরই মাটিতে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে টানা দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিল পর্তুগাল। দলের মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো না থাকলেও জয়রথ সচল রেখেছে জর্জ জেসুসের শিষ্যরা।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে ওসলোর উলেভাল স্টেডিয়ামে ম্যাচের প্রথম থেকেই আক্রমণ-প্রতিআক্রমণে জমে ওঠে লড়াই। পর্তুগালের জোয়াও নেভেসের হেড অল্পের জন্য নিশানা মিস করার পর উল্টো প্রান্তে আর্লিং হলান্ডের বুলেটগতির শট দারুণ দক্ষতায় প্রতিহত করেন পর্তুগিজ প্রাচীর দিয়োগো কস্তা।
ম্যাচের ১৭ মিনিটে প্রথম আনন্দের মুহূর্ত পায় পর্তুগাল। পেদ্রো নেতোর বুদ্ধিদীপ্ত কাটব্যাক থেকে বক্সের বাইরে দূরপাল্লার শটে নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে পর্তুগালকে ১-০ তে এগিয়ে দেন জোয়াও ফেলিক্স। পিছিয়ে পড়ার পরও সমতায় ফিরতে মরিয়া চেষ্টা চালায় স্বাগতিকেরা। তবে প্রথমার্ধে হলান্ডের একাধিক বিষাক্ত হেড ও চেষ্টা রুখে দিয়ে পর্তুগালকে লিড ধরে রাখতে সাহায্য করেন কস্তা।
দ্বিতীয় অর্ধে অবশ্য নরওয়ের সমর্থকদের মুখে হাসি ফোটান সেই হলান্ডই। মার্টিন ওদেগার্দের নেওয়া ফ্রি-কিক পর্তুগিজ গোলরক্ষক কস্তা পুরোপুরি সামলাতে না পারলে প্যাট্রিক বার্গ হেড করে বল বাড়িয়ে দেন হলান্ডের দিকে। ছয় গজের বক্সের ভেতর ভুল করেননি ম্যানচেস্টার সিটি তারকা, নিখুঁত ফিনিশিংয়ে স্কোরলাইন ১-১ করেন তিনি।
তবে নরওয়ের উল্লাস স্থায়ী হয়নি তিন মিনিটও। নরওয়েজিয়ান গোলরক্ষক নাইলান্ডের এক আত্মঘাতী ভুলের সুযোগ কাজে লাগায় পর্তুগাল। পজিশন ছেড়ে সামনে বেরিয়ে আসা নাইলান্ডকে পরাস্ত করে মাথার উপর দিয়ে চিপ শটে বল জালে জড়িয়ে দেন রামোস। ফলে আবার ২-১ এ এগিয়ে যায় অতিথি পর্তুগাল।
ম্যাচের বাকি সময়ে আন্দ্রেয়াস শিয়েলড্রুপের প্রচেষ্টা কস্তা রুখে দিলে আর ম্যাচে ফেরা হয়নি নরওয়ের। অন্যদিকে বদলি নামা রাফায়েল লেয়াওর শট বারপোস্টে লেগে ফিরে আসে এবং রামোসের আরেকটি গোল ভিএআরের (VAR) পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে নাকচ হয়ে যায়। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধান ধরে রেখেই তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে পর্তুগিজরা।
ওয়েলস ম্যাচের পর্তুগাল একাদশে চারটি পরিবর্তন এনেছিলেন কোচ জেসুস, যার মূল চমক ছিল রোনালদোকে বিশ্রামে রাখা। তবে অধিনায়কের অভাব বুঝতে দেননি জোয়াও ফেলিক্স। নেশনস লিগে পরপর দুই ম্যাচেই জালের দেখা পেলেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড, যা দেশের হয়ে তার শেষ ১১টি শুরুর ম্যাচে ষষ্ঠ গোল।
\

আপনার মতামত লিখুন