চট্টগ্রামের চন্দনাইশে হাইব্রিড জাতের 'রংবিলাস' আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪০ হেক্টর জমিতে এই আখের আবাদ হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার আখ উৎপাদনের আশা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। বিগত মৌসুমের তুলনায় এবার ৫ হেক্টর বেশি জমিতে আখের চাষ হয়েছে।
কম খরচে দ্বিগুণ লাভ এবং সাথী ফসল চাষের সুযোগ থাকায় শঙ্খ নদ তীরবর্তী চন্দনাইশের কৃষকদের কাছে এই আখ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচে সাড়ে সাত হাজার আখ উৎপাদিত হয়, যা বাজারে গড়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
হাশিমপুর ইউনিয়নের সফল আখচাষী আব্দুস সালাম জানান, তিনি ৮০ শতক জমিতে রংবিলাস আখ চাষ করতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। এরই মধ্যে পাইকাররা ক্ষেতের দাম হাঁকিয়েছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া আখের আবাদের সঙ্গেই সাথী ফসল হিসেবে বরবটি বিক্রি করে বাড়তি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছেন তিনি।
চন্দনাইশে উৎপাদিত রংবিলাস আখ মিষ্টি ও নরম হওয়ায় দেশজুড়ে এর চাহিদা রয়েছে। চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আজাদ হোসেন জানান, আখের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ, প্রণোদনা এবং বিনামূল্যে সার ও কীটনাশক দেওয়া হচ্ছে।

সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে হাইব্রিড জাতের 'রংবিলাস' আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১৪০ হেক্টর জমিতে এই আখের আবাদ হয়েছে, যা থেকে প্রায় ৫ কোটি ২৫ লাখ টাকার আখ উৎপাদনের আশা করছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। বিগত মৌসুমের তুলনায় এবার ৫ হেক্টর বেশি জমিতে আখের চাষ হয়েছে।
কম খরচে দ্বিগুণ লাভ এবং সাথী ফসল চাষের সুযোগ থাকায় শঙ্খ নদ তীরবর্তী চন্দনাইশের কৃষকদের কাছে এই আখ বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। প্রতি কানি (৪০ শতক) জমিতে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা খরচে সাড়ে সাত হাজার আখ উৎপাদিত হয়, যা বাজারে গড়ে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় বিক্রি হয়।
হাশিমপুর ইউনিয়নের সফল আখচাষী আব্দুস সালাম জানান, তিনি ৮০ শতক জমিতে রংবিলাস আখ চাষ করতে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা খরচ করেছেন। এরই মধ্যে পাইকাররা ক্ষেতের দাম হাঁকিয়েছেন ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। এছাড়া আখের আবাদের সঙ্গেই সাথী ফসল হিসেবে বরবটি বিক্রি করে বাড়তি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করেছেন তিনি।
চন্দনাইশে উৎপাদিত রংবিলাস আখ মিষ্টি ও নরম হওয়ায় দেশজুড়ে এর চাহিদা রয়েছে। চন্দনাইশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আজাদ হোসেন জানান, আখের ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ, প্রণোদনা এবং বিনামূল্যে সার ও কীটনাশক দেওয়া হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন