কুমিল্লা জেলার বখাটে ও কিশোর গ্যাংগুলোর উৎপাত বন্ধে ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৩৭৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীসহ বিভিন্ন থানা এলাকার যেসব স্পটে বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা এবং উৎপাত বেশি, সেগুলোকে চিহ্নিত করে অভিযানটি চালানো হয়। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান জানান, এক রাতে আটক ৩৭৯ জনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, উঠতি বয়সী তরুণেরা যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িয়ে না পড়ে, তা প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এই তৎপরতা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো নিরপরাধ বা সাধারণ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কুমিল্লা জেলার বখাটে ও কিশোর গ্যাংগুলোর উৎপাত বন্ধে ১৮টি থানা এলাকায় একযোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে ৩৭৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাতটা থেকে শুরু হয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত জেলা পুলিশ ও গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) যৌথ টিম এ অভিযান পরিচালনা করে।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কুমিল্লা নগরীসহ বিভিন্ন থানা এলাকার যেসব স্পটে বখাটে ও কিশোর গ্যাংয়ের আড্ডা এবং উৎপাত বেশি, সেগুলোকে চিহ্নিত করে অভিযানটি চালানো হয়। কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের সরাসরি নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও অংশ নেন।
অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) লুৎফুর রহমান জানান, এক রাতে আটক ৩৭৯ জনের অপরাধের সঙ্গে সম্পৃক্ততা নিবিড়ভাবে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে যাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অপরাধের প্রমাণ মিলবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরও জানান, উঠতি বয়সী তরুণেরা যাতে কোনো ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা গ্যাং কালচারের সঙ্গে জড়িয়ে না পড়ে, তা প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এই তৎপরতা নিয়মিত অব্যাহত থাকবে। তবে এই প্রক্রিয়ায় যাতে কোনো নিরপরাধ বা সাধারণ শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন।

আপনার মতামত লিখুন