গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নে ফের অসুস্থ গরু জবাই করার অপরাধে গরু মালিক ও ছয় কসাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জবাই করা গরুর মাংস জব্দ করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর সাহাবাজ গ্রামের অসুস্থ গরুর মালিক মো. রফিকুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। অসুস্থ গরু জবাই করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ গরু মালিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মেডিকেল সনদ না নিয়ে পশু জবাই করার অপরাধে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ছয় কসাইয়ের প্রত্যেকের দুই হাজার এবং একজনের এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে অসুস্থ গরুর মাংস জব্দ করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক।
যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা হলেন—বামনডাঙ্গা হলমোড়ের কসাই মো. ফজলু মিয়া, পৌরসভার মো. আব্দুল্লাহ, মো. শাহিন মিয়া, রামভদ্রের সফিউল ইসলাম, রামগঞ্জ বাজারের মো. রেজাউল ইসলাম এবং বামনডাঙ্গা সুইচ গেটের মো. জহুরুল ইসলাম।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. কে. এম. ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, গরু মালিক ও কসাইদের সচেতন করার লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই মাস ধরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। তারপরও অনেকে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন। এ কারণে বর্তমানে সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গরু মালিক ও কসাইদের সতর্ক করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় জোর দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় পশু আইনে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নে ফের অসুস্থ গরু জবাই করার অপরাধে গরু মালিক ও ছয় কসাইকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে জবাই করা গরুর মাংস জব্দ করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকালে উত্তর সাহাবাজ গ্রামের অসুস্থ গরুর মালিক মো. রফিকুল ইসলামের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক। অসুস্থ গরু জবাই করার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আহরাব আল আকাশ গরু মালিকের ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন।
তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মেডিকেল সনদ না নিয়ে পশু জবাই করার অপরাধে উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ছয় কসাইয়ের প্রত্যেকের দুই হাজার এবং একজনের এক হাজার টাকা জরিমানা করেন। একই সঙ্গে অসুস্থ গরুর মাংস জব্দ করে মাটির নিচে পুঁতে রাখা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. মোজাম্মেল হক।
যাদের জরিমানা করা হয়েছে তারা হলেন—বামনডাঙ্গা হলমোড়ের কসাই মো. ফজলু মিয়া, পৌরসভার মো. আব্দুল্লাহ, মো. শাহিন মিয়া, রামভদ্রের সফিউল ইসলাম, রামগঞ্জ বাজারের মো. রেজাউল ইসলাম এবং বামনডাঙ্গা সুইচ গেটের মো. জহুরুল ইসলাম।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. কে. এম. ইফতেখারুল ইসলাম বলেন, গরু মালিক ও কসাইদের সচেতন করার লক্ষ্যে দীর্ঘ দুই মাস ধরে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে। তারপরও অনেকে অসুস্থ গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করছেন। এ কারণে বর্তমানে সুন্দরগঞ্জে অ্যানথ্রাক্স রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গরু মালিক ও কসাইদের সতর্ক করার জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় জোর দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় পশু আইনে তাদের জরিমানা করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন