দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফেনীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী দিনে দেশের ১ লাখ ৪৭ হাজার কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং একই সঙ্গে নির্ধারিত কার্ডের অনুকূলে কৃষি উপকরণ কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সরাসরি ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষকের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
ফেনীর এই মূল অনুষ্ঠান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের অংশগ্রহণে এটি একটি জাতীয় উৎসবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আগামীকালকের এই অনুষ্ঠানে সারাদেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা ভার্চুয়ালি ও সরাসরি যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করা হবে এবং বাকি ৬৪টি উপজেলাও এই কার্যক্রমে সংযুক্ত থাকবে।
সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, যার অংশ হিসেবে চলতি বছর দেশব্যাপী মোট ৪৩ লাখ কৃষককে এই বিশেষ কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার।
কৃষক কার্ড কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা এবং সরকারি সব প্রণোদনা কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই স্বচ্ছতার সঙ্গে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নিবন্ধিত কৃষক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা বীজ, সার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজে কিনতে পারবেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে সারাদেশে প্রায় ১৮ লাখ ৩ হাজার কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫টি কার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই উদ্বোধনের পূর্বনির্ধারিত তারিখ থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছিল। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর এই ফেনী সফরে শুধু কৃষক কার্ড বিতরণই নয়, বরং মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিশেষ সহায়তারও উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
দেশের কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং কৃষকদের সরাসরি সরকারি সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে বহুল প্রতীক্ষিত কৃষক কার্ডের দ্বিতীয় ধাপের পাইলটিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ফেনীতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী দিনে দেশের ১ লাখ ৪৭ হাজার কৃষকের মাঝে এই কার্ড বিতরণ শুরু হবে এবং একই সঙ্গে নির্ধারিত কার্ডের অনুকূলে কৃষি উপকরণ কেনার জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বিকেলে ফেনীর ফুলগাজী সরকারি পাইলট হাইস্কুল মাঠে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে সরাসরি ৭ হাজার ৬৪৩ জন কৃষকের হাতে কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
ফেনীর এই মূল অনুষ্ঠান ছাড়াও দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষের অংশগ্রহণে এটি একটি জাতীয় উৎসবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আগামীকালকের এই অনুষ্ঠানে সারাদেশের ৫৬টি জেলার ৭৭টি উপজেলা ভার্চুয়ালি ও সরাসরি যুক্ত থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি উপজেলার সঙ্গে সরাসরি দ্বিমুখী সংযোগ স্থাপন করা হবে এবং বাকি ৬৪টি উপজেলাও এই কার্যক্রমে সংযুক্ত থাকবে।
সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে, যার অংশ হিসেবে চলতি বছর দেশব্যাপী মোট ৪৩ লাখ কৃষককে এই বিশেষ কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া আগামী আড়াই থেকে তিন বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি প্রকৃত কৃষকের হাতে এই কৃষক কার্ড পৌঁছে দেওয়ার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য হাতে নিয়েছে বর্তমান সরকার।
কৃষক কার্ড কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো কৃষকদের কৃষি উপকরণ ক্রয়ে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা এবং সরকারি সব প্রণোদনা কোনো ধরনের মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই স্বচ্ছতার সঙ্গে কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া। এই কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি নিবন্ধিত কৃষক ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা পাবেন, যা দিয়ে তারা বীজ, সার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সহজে কিনতে পারবেন।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইতিমধ্যে সারাদেশে প্রায় ১৮ লাখ ৩ হাজার কৃষকের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে এবং প্রথম ধাপে ১ লাখ ১০ হাজার ১৬৫টি কার্ড প্রস্তুত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৭ সেপ্টেম্বর এই উদ্বোধনের পূর্বনির্ধারিত তারিখ থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছিল। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর এই ফেনী সফরে শুধু কৃষক কার্ড বিতরণই নয়, বরং মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প, সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ধর্মীয় উপাসনালয়ের ইমাম-মুয়াজ্জিনদের জন্য বিশেষ সহায়তারও উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন