সংবাদ

সেন্ট মার্টিনে ভ্রমণের কড়াকড়ি শিথিলের পরিকল্পনা করছে সরকার


সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৮ এএম

সেন্ট মার্টিনে ভ্রমণের কড়াকড়ি শিথিলের পরিকল্পনা করছে সরকার
ছবি : সংগৃহীত

দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও অবস্থান সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমালে জারি করা কড়া কড়াকড়িতে বেশ কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করছেন, এতে পর্যটকদের রাত্রিযাপন ও দ্বীপে ভ্রমণের সময়সীমায় বড় ধরনের ছাড় আসতে পারে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বীপের বাসিন্দা, পরিবেশবিদ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘একদিকে যেমন সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও প্রতিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি, তেমনি সেখানকার স্থানীয় অধিবাসীদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দুটি বিষয়কে সমন্বয় করেই নতুন গাইডলাইন বা নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বীপের সংবেদনশীল পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ১২টি কড়া নির্দেশনামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।

দ্বীপের বাসিন্দা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, টানা নিষেধাজ্ঞার ফলে গত এক বছরে দ্বীপের পর্যটন অর্থনীতিতে মারাত্মক ধস নেমেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ায় টিকে থাকার তাগিদে অনেক বাসিন্দা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গাছ কাটা বা অতিরিক্ত মৎস্য আহরণের মতো পরিবেশবিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ছেন। এ কারণে জীবনযাত্রার স্বাভাবিক গতি ফেরাতে এসব বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগের সব বিধি তুলে নেওয়া হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত নির্দেশনার মধ্যে যে বিষয়গুলো যৌক্তিক ও পরিবেশ সুরক্ষায় অপরিহার্য, সেগুলো নতুন নীতিমালায় বহাল থাকবে। প্রায় ১০ হাজার মানুষের জনবসতিপূর্ণ এই প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা ও স্থানীয়দের জীবনযাত্রার সঠিক সামঞ্জস্য তৈরি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬


সেন্ট মার্টিনে ভ্রমণের কড়াকড়ি শিথিলের পরিকল্পনা করছে সরকার

প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশের একমাত্র প্রবালসমৃদ্ধ দ্বীপ সেন্ট মার্টিনে পর্যটক যাতায়াত ও অবস্থান সংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করার উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমালে জারি করা কড়া কড়াকড়িতে বেশ কিছু পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ধারণা করছেন, এতে পর্যটকদের রাত্রিযাপন ও দ্বীপে ভ্রমণের সময়সীমায় বড় ধরনের ছাড় আসতে পারে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, দ্বীপের বাসিন্দা, পরিবেশবিদ ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে আগামী ১৫ অক্টোবরের মধ্যে নতুন নীতিমালার খসড়া চূড়ান্ত করা হবে।

জানতে চাইলে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘একদিকে যেমন সেন্ট মার্টিন দ্বীপের পরিবেশ ও প্রতিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করা জরুরি, তেমনি সেখানকার স্থানীয় অধিবাসীদের জীবন-জীবিকার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দিতে হবে। দুটি বিষয়কে সমন্বয় করেই নতুন গাইডলাইন বা নীতিমালা তৈরি করা হচ্ছে।’

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে দ্বীপের সংবেদনশীল পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষায় বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে ১২টি কড়া নির্দেশনামূলক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছিল।

দ্বীপের বাসিন্দা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভাষ্য, টানা নিষেধাজ্ঞার ফলে গত এক বছরে দ্বীপের পর্যটন অর্থনীতিতে মারাত্মক ধস নেমেছে। ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির হয়ে পড়ায় টিকে থাকার তাগিদে অনেক বাসিন্দা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে গাছ কাটা বা অতিরিক্ত মৎস্য আহরণের মতো পরিবেশবিরোধী কাজে জড়িয়ে পড়ছেন। এ কারণে জীবনযাত্রার স্বাভাবিক গতি ফেরাতে এসব বিধিনিষেধ দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে আসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তবে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, আগের সব বিধি তুলে নেওয়া হচ্ছে না। অন্তর্বর্তী সরকারের জারিকৃত নির্দেশনার মধ্যে যে বিষয়গুলো যৌক্তিক ও পরিবেশ সুরক্ষায় অপরিহার্য, সেগুলো নতুন নীতিমালায় বহাল থাকবে। প্রায় ১০ হাজার মানুষের জনবসতিপূর্ণ এই প্রবাল দ্বীপে পরিবেশ রক্ষা ও স্থানীয়দের জীবনযাত্রার সঠিক সামঞ্জস্য তৈরি করাই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত