ফেনীর মুহুরী নদীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি নতুন বৃহৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই পুরো প্রকল্পের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১,৫৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একই নদীতে একটি আধুনিক নতুন ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা ৪০মিনিটে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এর আগে ১৯৯৩ সালে, অর্থাৎ প্রায় ২৬ বছর পূর্বে এই একই মুহুরী নদীর ওপর ঐতিহাসিক স্টিলের ব্রিজটি উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই স্মারক হিসেবে স্টিল ব্রিজের গোড়ায় মুহুরী নদীর পাড়েই এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখান থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবরে জানা গেছে, সীমান্ত সংলগ্ন মুহুরী নদীর তীরে মূল বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প এলাকাটি প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিনে পরিদর্শন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের আপত্তির কারণে সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি হেলিকপ্টার অবতরণের অনুমতি পাওয়া যায়নি।
এই বাধ্যবাধকতার কারণে সীমান্ত এলাকা সরাসরি পরিদর্শন সম্ভব না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সড়কপথেই গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার পিছিয়ে এসে স্টিল ব্রিজের গোড়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সীমান্ত ঘেঁষা সংবেদনশীল এলাকায় এ ধরনের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবে কতটা সফল ও কার্যকর হবে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণের মনে নানা ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীর মুহুরী নদীতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ও পুনর্বাসন সংক্রান্ত একটি নতুন বৃহৎ প্রকল্পের উদ্বোধন করতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এই পুরো প্রকল্পের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে ১,৫৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একই নদীতে একটি আধুনিক নতুন ব্রিজ নির্মাণের পরিকল্পনাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, আজ সকাল ৮টা ৪০মিনিটে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন।
এর আগে ১৯৯৩ সালে, অর্থাৎ প্রায় ২৬ বছর পূর্বে এই একই মুহুরী নদীর ওপর ঐতিহাসিক স্টিলের ব্রিজটি উদ্বোধন করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া। সেই স্মারক হিসেবে স্টিল ব্রিজের গোড়ায় মুহুরী নদীর পাড়েই এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়েছে, যেখান থেকে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন প্রকল্পটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করবেন।
বিশ্বস্ত সূত্রের খবরে জানা গেছে, সীমান্ত সংলগ্ন মুহুরী নদীর তীরে মূল বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প এলাকাটি প্রধানমন্ত্রীর সরেজমিনে পরিদর্শন করার প্রাথমিক পরিকল্পনা ছিল। তবে প্রতিবেশী দেশ ভারতের আপত্তির কারণে সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি হেলিকপ্টার অবতরণের অনুমতি পাওয়া যায়নি।
এই বাধ্যবাধকতার কারণে সীমান্ত এলাকা সরাসরি পরিদর্শন সম্ভব না হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে সড়কপথেই গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে। সীমান্ত এলাকা থেকে কয়েক কিলোমিটার পিছিয়ে এসে স্টিল ব্রিজের গোড়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে, সীমান্ত ঘেঁষা সংবেদনশীল এলাকায় এ ধরনের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবে কতটা সফল ও কার্যকর হবে, তা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও সাধারণ জনগণের মনে নানা ধরনের সংশয় দেখা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন