মুহুরী নদীর টেকসই খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও সার্বিক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মোট ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করতে আজ সকালে রাজধানী ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া সেল সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তাঁর ঢাকা ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ও আধুনিক ড্রেজিং মেশিন চালু করে নদী খনন কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন। এরপর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নদীর তীরে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এটা আমার নানা বাড়ির এলাকা। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই এলাকায় আমি শুধু বেড়াতে আসিনি, এই এলাকার উন্নয়ন করা আমার দায়িত্ব।
বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে উন্নয়নের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপির দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। বিএনপি আইনের শাসন সমানভাবে পালন করে যেন দেশের সব নাগরিক তার সুফল পায়।
জামাতকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। দেশের মানুষ জানে ১৯৭১ সালের ওই দলটির ভূমিকা কি ছিল।
এর আগে, ঠিক ২৬ বছর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মুহুরী নদীর ওপর ঐতিহাসিক স্টিল ব্রিজের উদ্বোধন করেছিলেন। আজ সেই ঐতিহাসিক স্টিল ব্রিজের গোড়াতেই আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নতুন উন্নয়ন প্রকল্পটির ঘোষণা দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।
সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত জটিলতার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে সড়কপথে এই অনুষ্ঠানে আসতে হয়।
সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যমতে, সীমান্ত ঘেঁষা নদীর বাঁধ পরিদর্শনের একটি পরিকল্পনা থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে আপত্তি প্রকাশ করায় এবং নির্দিষ্ট সীমানায় হেলিকপ্টার অবতরণের অনুমতি না মেলায় শেষ পর্যন্ত সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে সুরক্ষিত ব্রিজের গোড়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সীমান্তসংলগ্ন নদী তীরবর্তী বাঁধটির দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে সমবেত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সময়োপযোগী উন্নয়ন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের জোর দাবি জানান তারা।

বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ অক্টোবর ২০২৬
মুহুরী নদীর টেকসই খনন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ, সেচ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ ও সার্বিক পুনর্বাসন প্রকল্পের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মোট ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন এই বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা করতে আজ সকালে রাজধানী ঢাকার গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে ফেনীর উদ্দেশ্যে রওনা হন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া সেল সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তাঁর ঢাকা ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে নিজ হাতে কোদাল দিয়ে মাটি কেটে ও আধুনিক ড্রেজিং মেশিন চালু করে নদী খনন কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন। এরপর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় নদীর তীরে একটি নিম গাছের চারা রোপণ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, এটা আমার নানা বাড়ির এলাকা। দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এই এলাকায় আমি শুধু বেড়াতে আসিনি, এই এলাকার উন্নয়ন করা আমার দায়িত্ব।
বিএনপির রাজনীতি হচ্ছে উন্নয়নের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জনগণ বিএনপিকে দায়িত্ব দিয়েছে, বিএনপির দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করবে। বিএনপি আইনের শাসন সমানভাবে পালন করে যেন দেশের সব নাগরিক তার সুফল পায়।
জামাতকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, একটি রাজনৈতিক দল দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। দেশের মানুষ জানে ১৯৭১ সালের ওই দলটির ভূমিকা কি ছিল।
এর আগে, ঠিক ২৬ বছর আগে ১৯৯৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই মুহুরী নদীর ওপর ঐতিহাসিক স্টিল ব্রিজের উদ্বোধন করেছিলেন। আজ সেই ঐতিহাসিক স্টিল ব্রিজের গোড়াতেই আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে নতুন উন্নয়ন প্রকল্পটির ঘোষণা দেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।
সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তা ও অবকাঠামোগত জটিলতার কারণে প্রধানমন্ত্রীকে সড়কপথে এই অনুষ্ঠানে আসতে হয়।
সংশ্লিষ্ট বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্যমতে, সীমান্ত ঘেঁষা নদীর বাঁধ পরিদর্শনের একটি পরিকল্পনা থাকলেও ভারতের পক্ষ থেকে আপত্তি প্রকাশ করায় এবং নির্দিষ্ট সীমানায় হেলিকপ্টার অবতরণের অনুমতি না মেলায় শেষ পর্যন্ত সীমান্ত থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরে সুরক্ষিত ব্রিজের গোড়ায় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সীমান্তসংলগ্ন নদী তীরবর্তী বাঁধটির দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের মনে কিছুটা সংশয় রয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে সমবেত স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সরকারের এই সময়োপযোগী উন্নয়ন উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন। একই সাথে ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুততম সময়ের মধ্যে একটি আধুনিক হাসপাতাল নির্মাণের জোর দাবি জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন