সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় তীব্র প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংকটের কারণে একাই চার পদের দায়িত্ব পালন করছেন ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায়। নিজের মূল পদের পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এবং উভয় উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। দুই উপজেলার সব প্রশাসনিক ও বিচারিক কাজ একজন কর্মকর্তার কাঁধে আসায় পুরো এলাকার দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, দুটি উপজেলার দাপ্তরিক কাজ এবং জমি সংক্রান্ত নামজারি ও খতিয়ান যথাসময়ে না পাওয়ায় এলাকায় জমি কেনাবেচা ও ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ থমকে আছে। নিয়মিত অফিস তদারকির অভাবে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই সুযোগে নদী-খাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, পুকুর ভরাট ও খাসজমি দখলের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এলাকার সচেতন মহল ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে দ্রুততম সময়ে স্থায়ী এসিল্যান্ড পদায়নের দাবি জানিয়েছেন।
যোগাযোগ করা হলে ধর্মপাশা ও মধ্যনগরের দায়িত্বে থাকা ইউএনও জনি রায় বলেন, ‘উভয় উপজেলায় এসিল্যান্ড না থাকায় সাময়িকভাবে আমাকে এই অতিরিক্ত দায়িত্বগুলো পালন করতে হচ্ছে। পদগুলো শূন্য থাকলেও আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক ও ভূমি সংক্রান্ত সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিঘ্ন না ঘটে। প্রতিদিন সময় ভাগ করে দুই উপজেলার দাপ্তরিক কাজ করছি। তবে একাধিক পদের দায়িত্ব একসাথে সামলাতে গিয়ে কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে গেছে।’
জানতে চাইলে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘দুই উপজেলার শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা পদায়নের জন্য ইতিমধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।’

বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলায় তীব্র প্রশাসনিক কর্মকর্তা সংকটের কারণে একাই চার পদের দায়িত্ব পালন করছেন ধর্মপাশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জনি রায়। নিজের মূল পদের পাশাপাশি তিনি পার্শ্ববর্তী মধ্যনগর উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও এবং উভয় উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ডের অতিরিক্ত দায়িত্বে রয়েছেন। দুই উপজেলার সব প্রশাসনিক ও বিচারিক কাজ একজন কর্মকর্তার কাঁধে আসায় পুরো এলাকার দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা নেমে এসেছে এবং চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
স্থানীয় ভুক্তভোগীরা জানান, দুটি উপজেলার দাপ্তরিক কাজ এবং জমি সংক্রান্ত নামজারি ও খতিয়ান যথাসময়ে না পাওয়ায় এলাকায় জমি কেনাবেচা ও ব্যাংক ঋণ নেওয়ার প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ থমকে আছে। নিয়মিত অফিস তদারকির অভাবে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার হচ্ছেন। এই সুযোগে নদী-খাল থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, পুকুর ভরাট ও খাসজমি দখলের প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এলাকার সচেতন মহল ভূমি সংক্রান্ত জটিলতা ও ভোগান্তি নিরসনে দ্রুততম সময়ে স্থায়ী এসিল্যান্ড পদায়নের দাবি জানিয়েছেন।
যোগাযোগ করা হলে ধর্মপাশা ও মধ্যনগরের দায়িত্বে থাকা ইউএনও জনি রায় বলেন, ‘উভয় উপজেলায় এসিল্যান্ড না থাকায় সাময়িকভাবে আমাকে এই অতিরিক্ত দায়িত্বগুলো পালন করতে হচ্ছে। পদগুলো শূন্য থাকলেও আমি সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যাতে সাধারণ মানুষের প্রশাসনিক ও ভূমি সংক্রান্ত সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে বিঘ্ন না ঘটে। প্রতিদিন সময় ভাগ করে দুই উপজেলার দাপ্তরিক কাজ করছি। তবে একাধিক পদের দায়িত্ব একসাথে সামলাতে গিয়ে কাজের চাপ অনেকটাই বেড়ে গেছে।’
জানতে চাইলে সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘দুই উপজেলার শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা পদায়নের জন্য ইতিমধ্যেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। আশা করছি দ্রুতই শূন্য পদগুলোতে স্থায়ী কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন