ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী, স্বভাব কবি ও লেখক কাজী গোলাম মাইন উদ্দীন (৯৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, দুই মেয়ে, দুই ভাবি, তিন বোন ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার সন্তানদের মধ্যে তানভীর আলাদিন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং কাজী ফয়সাল পেশায় আইনজীবী। এক দশক আগে তার স্ত্রী সাকিনা আহমেদ চৌধুরাণী পরলোকগমন করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) বাদ ফজর ঢাকার আফতাবনগরের এইচ ব্লকের বায়তুস সালাহ জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ জোহর ফেনীর মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর ফেনী সদর উপজেলার মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তৎকালীন ভারতবর্ষের সুপরিচিত ‘কাজী কেমিক্যাল ওয়ার্কস’-এর স্বত্বাধিকারী কাজী আলী নোয়াজ ও মা জায়েদা খাতুন। ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। ১৯৫০ সালে ফেনী হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং পরে ফেনী কলেজ থেকে আইকম ও বিকম পাস করে তিনি পৈতৃক ব্যবসায় যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে তিনি আয়কর উপদেষ্টা হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিকবার ফেনী জেলা কর আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি লায়ন্স ক্লাব ফেনীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফেনী ‘ল’ কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং মাথিয়ারা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন।
পেশাগত পরিচয়ের বাইরে তিনি একজন ভ্রমণপিপাসু লেখক ও স্বভাব কবি ছিলেন। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে–ডাক্তারের ঘোড়ার ডাক, তাসের ঘরে মাধবীলতা, খাজু উকিলের ডায়েরি ও ইউরেকা আমার আমেরিকা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ অক্টোবর ২০২৬
ফেনীর প্রবীণ আয়কর আইনজীবী, স্বভাব কবি ও লেখক কাজী গোলাম মাইন উদ্দীন (৯৪) ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শুক্রবার (২ অক্টোবর) দিবাগত রাত ১০টা ৪৭ মিনিটে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৃত্যুকালে তিনি তিন ছেলে, দুই মেয়ে, দুই ভাবি, তিন বোন ও নাতি-নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়স্বজন এবং গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার সন্তানদের মধ্যে তানভীর আলাদিন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এবং কাজী ফয়সাল পেশায় আইনজীবী। এক দশক আগে তার স্ত্রী সাকিনা আহমেদ চৌধুরাণী পরলোকগমন করেন।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৩ অক্টোবর) বাদ ফজর ঢাকার আফতাবনগরের এইচ ব্লকের বায়তুস সালাহ জামে মসজিদে মরহুমের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে বাদ জোহর ফেনীর মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
বরেণ্য এই ব্যক্তিত্ব ১৯৩২ সালের ৯ ডিসেম্বর ফেনী সদর উপজেলার মাথিয়ারা কাজী বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা তৎকালীন ভারতবর্ষের সুপরিচিত ‘কাজী কেমিক্যাল ওয়ার্কস’-এর স্বত্বাধিকারী কাজী আলী নোয়াজ ও মা জায়েদা খাতুন। ১৪ ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার বড়। ১৯৫০ সালে ফেনী হাইস্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং পরে ফেনী কলেজ থেকে আইকম ও বিকম পাস করে তিনি পৈতৃক ব্যবসায় যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৬১ সালে তিনি আয়কর উপদেষ্টা হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেন।
দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিকবার ফেনী জেলা কর আইনজীবী সমিতির সম্পাদক ও সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়া তিনি লায়ন্স ক্লাব ফেনীর সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ফেনী ‘ল’ কলেজের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির আজীবন সদস্য এবং মাথিয়ারা জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি ছিলেন।
পেশাগত পরিচয়ের বাইরে তিনি একজন ভ্রমণপিপাসু লেখক ও স্বভাব কবি ছিলেন। তার প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে–ডাক্তারের ঘোড়ার ডাক, তাসের ঘরে মাধবীলতা, খাজু উকিলের ডায়েরি ও ইউরেকা আমার আমেরিকা।

আপনার মতামত লিখুন