প্রীতি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বুয়েনস এইরেসের বিখ্যাত মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে ৭-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
আর্জেন্টিনার গোল উৎসবের দিনে জাল খুঁজে নেন লাওতারো মার্তিনেজ, জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি, নিকোলাস পাজ, হুলিয়ান আলভারেজ, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো ও গুলিয়ানো সিমিওনে। বাকি গোলটি এসেছে আত্মঘাতী খাত থেকে।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় স্বাগতিকেরা। পেনাল্টি বক্সের ভেতর বুরকিনা ফাসোর বেবেল দুম্বিয়ার ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিকে লাওতারো মার্তিনেজের শট গোলরক্ষক গুইরা রাজাক প্রথম দফায় ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন লাওতারো। ৮ মিনিটে বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দিলে ব্যবধান ২-০ হয়।
১৩ মিনিটে জাতীয় দলের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখেন জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি। এক দৃষ্টিনন্দন আক্রমণ থেকে দারুণ গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ৩৪ মিনিটে নিকোলাস পাজ এবং এর দুই মিনিট পর (৩৬ মিনিটে) প্রেস্টিয়ান্নির বাড়িয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে নিজের গোলখরা কাটান বায়ার্ন ও আতলেতিকো তারকা হুলিয়ান আলভারেজ। ফলে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন কোচ স্কালোনি। নতুনদের ছন্দেও কমতি ছিল না। ৫৬ মিনিটে মাতিয়াস সুলের অ্যাসিস্ট থেকে জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রথম গোল তুলে নেন উদীয়মান তারকা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে (যোগ করা সময়ের ৩ মিনিটে) ভ্যালেন্তিন বারকোর ক্রস থেকে পাওয়া বলে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনার ৭-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন গুলিয়ানো সিমিওনে।
/

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রীতি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে আফ্রিকার দেশ বুরকিনা ফাসোকে নিয়ে রীতিমতো ছেলেখেলা করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। বুয়েনস এইরেসের বিখ্যাত মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দাপট দেখিয়ে ৭-০ গোলের বিশাল জয় তুলে নিয়েছে লিওনেল স্কালোনির শিষ্যরা।
আর্জেন্টিনার গোল উৎসবের দিনে জাল খুঁজে নেন লাওতারো মার্তিনেজ, জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি, নিকোলাস পাজ, হুলিয়ান আলভারেজ, ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো ও গুলিয়ানো সিমিওনে। বাকি গোলটি এসেছে আত্মঘাতী খাত থেকে।
ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই লিড নেওয়ার সুবর্ণ সুযোগ পায় স্বাগতিকেরা। পেনাল্টি বক্সের ভেতর বুরকিনা ফাসোর বেবেল দুম্বিয়ার ফাউল করলে রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। স্পট কিকে লাওতারো মার্তিনেজের শট গোলরক্ষক গুইরা রাজাক প্রথম দফায় ঠেকিয়ে দিলেও ফিরতি বলে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে নেন লাওতারো। ৮ মিনিটে বুরকিনা ফাসোর মৌমুনি দিয়ালো বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালে পাঠিয়ে দিলে ব্যবধান ২-০ হয়।
১৩ মিনিটে জাতীয় দলের হয়ে নিজের অভিষেক ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখেন জিয়ানলুকা প্রেস্টিয়ান্নি। এক দৃষ্টিনন্দন আক্রমণ থেকে দারুণ গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। ৩৪ মিনিটে নিকোলাস পাজ এবং এর দুই মিনিট পর (৩৬ মিনিটে) প্রেস্টিয়ান্নির বাড়িয়ে দেওয়া বল জালে জড়িয়ে নিজের গোলখরা কাটান বায়ার্ন ও আতলেতিকো তারকা হুলিয়ান আলভারেজ। ফলে ৫-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় আলবিসেলেস্তারা।
দ্বিতীয়ার্ধে একাধিক পরিবর্তন আনেন কোচ স্কালোনি। নতুনদের ছন্দেও কমতি ছিল না। ৫৬ মিনিটে মাতিয়াস সুলের অ্যাসিস্ট থেকে জাতীয় দলের হয়ে নিজের প্রথম গোল তুলে নেন উদীয়মান তারকা ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়ানো।
ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার ঠিক আগ মুহূর্তে (যোগ করা সময়ের ৩ মিনিটে) ভ্যালেন্তিন বারকোর ক্রস থেকে পাওয়া বলে দারুণ এক হেডে আর্জেন্টিনার ৭-০ গোলের বড় জয় নিশ্চিত করেন গুলিয়ানো সিমিওনে।
/

আপনার মতামত লিখুন