বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) দিনেদুপুরে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজ ওই শিক্ষার্থীর সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে প্রধান অভিযুক্ত মো. রিয়াদ হোসেনসহ (২০) পাঁচজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী শেরপুরের মজিবর রহমান মজনু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে চকপোতা গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব ও প্রেম নিবেদনের মাধ্যমে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা রিয়াদের পরিবারকে জানালে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো কিশোরীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ওই ছাত্রী। চকপোতা গ্রামের জামাদারের দোকানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রিয়াদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে শেরপুরের দিকে চলে যায়।
নির্দিষ্ট সময়ে ওই ছাত্রী বাড়ি বা বিদ্যালয়ে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে অবশেষে শনিবার রাতে অপহৃত শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় লিখিত এজাহার দেন।
মামলার অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন - চকপোতা গ্রামের মো. রিয়াদ হোসেন (২০), তার মা মোছা. ফরিদা বেগম (৪০), একই এলাকার মো. হাফিজার রহমান (৫৫), রিয়াদের ভাই মো. জিহাদ হোসেন (২৫) এবং মোছা. কহিনুর বেগম ওরফে জেসমিন (৪০)।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১৬) দিনেদুপুরে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও এখনো নিখোঁজ ওই শিক্ষার্থীর সন্ধান মেলেনি।
এ ঘটনায় শনিবার (৩ অক্টোবর) রাতে প্রধান অভিযুক্ত মো. রিয়াদ হোসেনসহ (২০) পাঁচজনের বিরুদ্ধে শেরপুর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মামলার এজাহার ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ওই কিশোরী শেরপুরের মজিবর রহমান মজনু বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের পথে চকপোতা গ্রামের মো. সাইফুল ইসলামের ছেলে মো. রিয়াদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে তাকে কুপ্রস্তাব ও প্রেম নিবেদনের মাধ্যমে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। বিষয়টি ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবকেরা রিয়াদের পরিবারকে জানালে তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে উল্টো কিশোরীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেন।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর সকাল আটটার দিকে প্রতিদিনের মতো বাড়ি থেকে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা হয় ওই ছাত্রী। চকপোতা গ্রামের জামাদারের দোকানের সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা রিয়াদ ও তার সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে শেরপুরের দিকে চলে যায়।
নির্দিষ্ট সময়ে ওই ছাত্রী বাড়ি বা বিদ্যালয়ে না পৌঁছালে পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। কোথাও সন্ধান না পেয়ে অবশেষে শনিবার রাতে অপহৃত শিক্ষার্থীর মা বাদী হয়ে শেরপুর থানায় লিখিত এজাহার দেন।
মামলার অন্য অভিযুক্ত ব্যক্তিরা হলেন - চকপোতা গ্রামের মো. রিয়াদ হোসেন (২০), তার মা মোছা. ফরিদা বেগম (৪০), একই এলাকার মো. হাফিজার রহমান (৫৫), রিয়াদের ভাই মো. জিহাদ হোসেন (২৫) এবং মোছা. কহিনুর বেগম ওরফে জেসমিন (৪০)।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, মামলা নথিভুক্ত করা হয়েছে এবং অপহৃত স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারের উদ্দেশ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন