যশোরের চৌগাছা উপজেলার এক সক্রিয় বিএনপিকর্মীকে আওয়ামী লীগ নেতা সাজিয়ে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি এবং টাকা না দেওয়ায় তাকে রাজনৈতিক পরিচয় বদলে মামলায় ফাঁসানোর বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ওই বিএনপিকর্মীর নাম রবিউল ইসলাম। তিনি চৌগাছা উপজেলার ১০ নম্বর নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। এ ঘটনায় চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রবিউলের ছেলে মো. আলামিন।
অভিযোগের সঙ্গে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির প্যাডে দেওয়া দুটি প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম লিখিতভাবে প্রত্যয়ন দিয়েছেন যে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
আলামিনের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর রাত সোয়া ১১টার দিকে চৌগাছা থানার এএসআই কাজল, এসআই বিল্লাল, এএসআই মিকাইল ও এএসআই জাকির তাদের বাড়িতে যান এবং রবিউল ইসলামকে ডেকে থানায় নিয়ে যান। পরে থানায় আটকে রেখে ওসির নির্দেশে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই রাতেই তাকে একটি কাল্পনিক নাশকতা মামলায় ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ বানিয়ে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, 'রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দলের সক্রিয় সদস্য। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অতীতেও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি পোহাতে হয়েছে।'
একই সুর তুলে চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, 'রবিউল কোনোকালেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতি করে। থানার ওসি পরিকল্পিতভাবে চৌগাছায় বিএনপিকে দমন করতে এবং ফায়দা লুটতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করছেন।'
ঘুষ দাবি ও রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান দাবি করেন, 'রবিউল স্থানীয় আওয়ামী লীগের কমিটির সদস্য। বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করে আইন অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।' তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
যশোরের চৌগাছা উপজেলার এক সক্রিয় বিএনপিকর্মীকে আওয়ামী লীগ নেতা সাজিয়ে নাশকতা মামলায় গ্রেফতার দেখানোর অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। এ ছাড়া পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি এবং টাকা না দেওয়ায় তাকে রাজনৈতিক পরিচয় বদলে মামলায় ফাঁসানোর বিস্ফোরক অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ওই বিএনপিকর্মীর নাম রবিউল ইসলাম। তিনি চৌগাছা উপজেলার ১০ নম্বর নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির একজন সক্রিয় কর্মী। এ ঘটনায় চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমানসহ কয়েকজন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে পুলিশের খুলনা রেঞ্জের ডিআইজির কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন রবিউলের ছেলে মো. আলামিন।
অভিযোগের সঙ্গে উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির প্যাডে দেওয়া দুটি প্রত্যয়নপত্র যুক্ত করা হয়েছে। নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম লিখিতভাবে প্রত্যয়ন দিয়েছেন যে রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত।
আলামিনের দেওয়া লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ১ অক্টোবর রাত সোয়া ১১টার দিকে চৌগাছা থানার এএসআই কাজল, এসআই বিল্লাল, এএসআই মিকাইল ও এএসআই জাকির তাদের বাড়িতে যান এবং রবিউল ইসলামকে ডেকে থানায় নিয়ে যান। পরে থানায় আটকে রেখে ওসির নির্দেশে পরিবারের কাছে পাঁচ লাখ টাকা ঘুষ দাবি করা হয়। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ওই রাতেই তাকে একটি কাল্পনিক নাশকতা মামলায় ‘আওয়ামী লীগ নেতা’ বানিয়ে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে চালান দেওয়া হয়।
নারায়ণগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম বলেন, 'রবিউল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে আমাদের দলের সক্রিয় সদস্য। রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে অতীতেও তার পরিবারকে নানাভাবে হয়রানি পোহাতে হয়েছে।'
একই সুর তুলে চৌগাছা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ সালাম বলেন, 'রবিউল কোনোকালেই আওয়ামী লীগের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, তার পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতি করে। থানার ওসি পরিকল্পিতভাবে চৌগাছায় বিএনপিকে দমন করতে এবং ফায়দা লুটতে এ ধরনের ন্যক্কারজনক কাজ করছেন।'
ঘুষ দাবি ও রাজনৈতিক পরিচয় পরিবর্তনের অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুনুর রহমান দাবি করেন, 'রবিউল স্থানীয় আওয়ামী লীগের কমিটির সদস্য। বিশেষ অভিযানে তাকে আটক করে আইন অনুযায়ী আদালতে পাঠানো হয়েছে।' তার বিরুদ্ধে আনা ঘুষ দাবি ও মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন ও মিথ্যা’ বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মিরাজুল ইসলাম জানান, পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে খোঁজখবর নিয়ে দেখা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন