সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের কাছে নোঙর করে রাখা পর্যটকবাহী দুটি জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়েছে সশস্ত্র বনদস্যুরা। তবে বনরক্ষীদের সময়োপযোগী প্রতিরোধ ও চার রাউন্ড ফাঁকা গুলির মুখে সাগরের দিকে ট্রলার ঘুরিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় তারা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের কটকা পর্যটনকেন্দ্রসংলগ্ন নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় বনদস্যু কটকা নদীতে ভাসমান পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগোতে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে নদীর মোহনায় থাকা জেলেরা মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিকভাবে বনরক্ষীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
খবর পাওয়ার পরপরই বনরক্ষীরা স্পিডবোট নিয়ে কটকা নদীর মুখে অবস্থান নেন। দস্যুবাহিনী জাহাজের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা তাদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন। তীব্র গুলির শব্দে ধরা পড়ার ভয়ে দস্যুরা তাদের ট্রলার ঘুরিয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে চম্পট দেয়।
ঘটনার সময় কটকা নদীতে ‘দি ওয়েভ-২’ ও ‘আরাল সী’ নামের দুটি লঞ্চ নোঙর করা ছিল। জাহাজ দুটিতে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন।
‘দি ওয়েভ-২’ জাহাজের মাস্টার মো. শামিম আলম বলেন, 'বনরক্ষীদের কাছ থেকে আমরা আগেভাগেই খবর পেয়েছিলাম যে ডাকাত দল এগিয়ে আসছে। বন বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপ আর সতর্কতার কারণে আমরা ও পর্যটকেরা অক্ষত রয়েছি।' তবে দস্যু আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে জাহাজে থাকা পর্যটকদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক তৈরি হয় বলে জানান তিনি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বন বিভাগের টহল জোরদার থাকায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পর্যটন মৌসুমে কটকা ও সংলগ্ন অভয়ারণ্য এলাকায় বন বিভাগের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের রাত্রিকালীন টহল বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সুন্দরবনের কটকা অভয়ারণ্য কেন্দ্রের কাছে নোঙর করে রাখা পর্যটকবাহী দুটি জাহাজে ডাকাতির চেষ্টা চালিয়েছে সশস্ত্র বনদস্যুরা। তবে বনরক্ষীদের সময়োপযোগী প্রতিরোধ ও চার রাউন্ড ফাঁকা গুলির মুখে সাগরের দিকে ট্রলার ঘুরিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় তারা।
শনিবার (৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের কটকা পর্যটনকেন্দ্রসংলগ্ন নদীতে এই ঘটনা ঘটে।
বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে ইঞ্জিনচালিত একটি ট্রলার নিয়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় বনদস্যু কটকা নদীতে ভাসমান পর্যটকবাহী জাহাজের দিকে এগোতে থাকে। বিষয়টি টের পেয়ে নদীর মোহনায় থাকা জেলেরা মোবাইল ফোনে তাৎক্ষণিকভাবে বনরক্ষীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
খবর পাওয়ার পরপরই বনরক্ষীরা স্পিডবোট নিয়ে কটকা নদীর মুখে অবস্থান নেন। দস্যুবাহিনী জাহাজের কাছাকাছি আসার চেষ্টা করলে বনরক্ষীরা তাদের লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি ছোড়েন। তীব্র গুলির শব্দে ধরা পড়ার ভয়ে দস্যুরা তাদের ট্রলার ঘুরিয়ে বঙ্গোপসাগরের দিকে চম্পট দেয়।
ঘটনার সময় কটকা নদীতে ‘দি ওয়েভ-২’ ও ‘আরাল সী’ নামের দুটি লঞ্চ নোঙর করা ছিল। জাহাজ দুটিতে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে মোট ৯৭ জন পর্যটক অবস্থান করছিলেন।
‘দি ওয়েভ-২’ জাহাজের মাস্টার মো. শামিম আলম বলেন, 'বনরক্ষীদের কাছ থেকে আমরা আগেভাগেই খবর পেয়েছিলাম যে ডাকাত দল এগিয়ে আসছে। বন বিভাগের দ্রুত পদক্ষেপ আর সতর্কতার কারণে আমরা ও পর্যটকেরা অক্ষত রয়েছি।' তবে দস্যু আসার খবর ছড়িয়ে পড়লে জাহাজে থাকা পর্যটকদের মধ্যে সাময়িক আতঙ্ক তৈরি হয় বলে জানান তিনি।
সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বন বিভাগের টহল জোরদার থাকায় বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে। পর্যটন মৌসুমে কটকা ও সংলগ্ন অভয়ারণ্য এলাকায় বন বিভাগের পাশাপাশি কোস্টগার্ডের রাত্রিকালীন টহল বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।

আপনার মতামত লিখুন