বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের সামাজিকীকরণ, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশও প্রয়োজন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি অটিজম স্কুল এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ থাকায় ১০৮ জন শিশু শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৪ সালে বেলকুচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে স্কুলটির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি এলাকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। পাঠদানের পাশাপাশি খেলাধুলা, সামাজিক মেলামেশা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত শিশুরা। এসব কার্যক্রম তাদের আচরণগত উন্নয়ন ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করত। ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অনেক শিশুর পক্ষে সাধারণ বিদ্যালয়ের পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। তাই তাদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘদিন স্কুলের বাইরে থাকায় অনেক শিশু এখন ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছে। শিক্ষা ও সামাজিক মেলামেশা থেকে দূরে থাকায় তাদের স্বাভাবিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় সেখানকার শিক্ষক ও কর্মচারীও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অব্যবহৃত পড়ে আছে শিক্ষা উপকরণ।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বেলকুচি অটিজম স্কুলটি দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এক্ষত্রে কোনো জটিলতা থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তাদের সামাজিকীকরণ, আত্মবিশ্বাস ও মানসিক বিকাশের জন্য উপযুক্ত পরিবেশও প্রয়োজন। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি অটিজম স্কুল এমন একটি পরিবেশ তৈরি করেছিল। দীর্ঘদিন ধরে স্কুলটি বন্ধ থাকায় ১০৮ জন শিশু শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদ-এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
২০১৪ সালে বেলকুচি সদর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনে স্কুলটির কার্যক্রম শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি এলাকার বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। পাঠদানের পাশাপাশি খেলাধুলা, সামাজিক মেলামেশা ও বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সুযোগ পেত শিশুরা। এসব কার্যক্রম তাদের আচরণগত উন্নয়ন ও আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সহায়তা করত। ২০২৪ সালের আগস্টের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন অনেক শিশুর পক্ষে সাধারণ বিদ্যালয়ের পরিবেশে মানিয়ে নেওয়া কঠিন। তাই তাদের জন্য বিশেষায়িত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। দীর্ঘদিন স্কুলের বাইরে থাকায় অনেক শিশু এখন ঘরবন্দি জীবন কাটাচ্ছে। শিক্ষা ও সামাজিক মেলামেশা থেকে দূরে থাকায় তাদের স্বাভাবিক বিকাশও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ থাকায় সেখানকার শিক্ষক ও কর্মচারীও কর্মহীন হয়ে পড়েছেন। অব্যবহৃত পড়ে আছে শিক্ষা উপকরণ।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের শিক্ষা ও সামাজিক বিকাশ নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। বেলকুচি অটিজম স্কুলটি দ্রুত চালুর জন্য প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এক্ষত্রে কোনো জটিলতা থাকলে তার দ্রুত সমাধান করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন