যশোর শহরের কারবালা এলাকার বনবীথি লেনের একটি ছাত্রীনিবাসে আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা ও চরম অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে ভবনমালিক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। এমনকি এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল থেকে ‘তিন ভাই ভবন’ নামের পাঁচতলা ওই ভবনটিকে ঘিরে এলাকায় নানা ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে রাত আটটার পর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মূল ফটকের তালা খুলে দেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই কৌশলে সটকে পড়েন অভিযুক্ত ভবনমালিক আনোয়ার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় আনোয়ার হোসেন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন এবং অন্য ফ্ল্যাটগুলোতে ছাত্রীরা ভাড়া থাকেন। ছাত্রীদের অভিযোগ, আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছুতোয় নতুন আসা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করে অনৈতিক আচরণ ও হেনস্তা করে আসছিলেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ছাত্রীরা এক জোট হয়ে সরব হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ভবনমালিক তাদের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ পৌঁছানোর পর ভবনমালিকের স্ত্রী তালা খুলে দেন, তবে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
যশোর শহরের কারবালা এলাকার বনবীথি লেনের একটি ছাত্রীনিবাসে আবাসিক শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা ও চরম অশোভন আচরণের অভিযোগ উঠেছে ভবনমালিক আনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। এমনকি এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ভবনের মূল ফটকে তালা ঝুলিয়ে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) বিকেল থেকে ‘তিন ভাই ভবন’ নামের পাঁচতলা ওই ভবনটিকে ঘিরে এলাকায় নানা ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়। অবরুদ্ধ শিক্ষার্থীরা বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
খবর পেয়ে রাত আটটার পর কোতোয়ালি থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী মূল ফটকের তালা খুলে দেন। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আগেই কৌশলে সটকে পড়েন অভিযুক্ত ভবনমালিক আনোয়ার।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই পাঁচতলা ভবনের পঞ্চম তলায় আনোয়ার হোসেন পরিবার নিয়ে বসবাস করেন এবং অন্য ফ্ল্যাটগুলোতে ছাত্রীরা ভাড়া থাকেন। ছাত্রীদের অভিযোগ, আনোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ছুতোয় নতুন আসা শিক্ষার্থীদের লক্ষ্যবস্তু করে অনৈতিক আচরণ ও হেনস্তা করে আসছিলেন। এসব ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার ছাত্রীরা এক জোট হয়ে সরব হলে ক্ষিপ্ত হয়ে ভবনমালিক তাদের ভেতরের ফটকে তালা লাগিয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
এ বিষয়ে যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন জানান, ছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ পৌঁছানোর পর ভবনমালিকের স্ত্রী তালা খুলে দেন, তবে অভিযুক্ত আনোয়ার হোসেনকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন