যশোর সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া স্কুলপাড়া এলাকায় গভীর রাতে এক বসতবাড়িতে হামলা, তাণ্ডব ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের অন্তত ছয়জন রক্তাক্ত আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থানায় মামলা না নিয়ে পুলিশ কেবল লিখিত অভিযোগ জমা রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে আসামিদের অব্যাহত হুমকি-ধামকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবারটি কয়েক দিন ধরে বাড়িছাড়া রয়েছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে দুইটার দিকে নওয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া স্কুলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল খালেকের (৭৩) বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জেরে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত অতর্কিত ওই বৃদ্ধের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীদের দেশীয় অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কোপে মারাত্মক জখম হন আব্দুল খালেকের ছেলে মো. হেলাল হোসেন (২৮), পুত্রবধূ মোছা. শারমীন সুলতানা (২৪), ছোট ভাই মো. সেকেন্দার আলী (৬৫), ভাইপো মো. মাসুম বিল্লাহ (৪৬), বড় পুত্রবধূ মোছা. ইয়াসমিন আরা (৩৭) এবং শিশু সদস্য আফিয়া ইবনাত মালিহা (১৩)। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়, দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় এবং আলমারি ভেঙে ব্যবসায়ের নগদ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আব্দুল খালেকের ছেলে আওয়াল হোসেন বলেন, ‘পরদিন সকালে আমরা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা না নিয়ে শুধু একটি লিখিত অভিযোগ জমা রেখেছে। হামলার পর থেকে আসামিরা প্রকাশ্যে রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা কয়েক দিন ধরে বাড়ি ঢুকতে পারছি না।’
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত নিয়মিত মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নিজেদের জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার পাঁচবাড়িয়া স্কুলপাড়া এলাকায় গভীর রাতে এক বসতবাড়িতে হামলা, তাণ্ডব ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এতে নারী ও শিশুসহ একই পরিবারের অন্তত ছয়জন রক্তাক্ত আহত হয়েছেন। ঘটনার পর থানায় মামলা না নিয়ে পুলিশ কেবল লিখিত অভিযোগ জমা রেখেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অন্যদিকে আসামিদের অব্যাহত হুমকি-ধামকিতে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবারটি কয়েক দিন ধরে বাড়িছাড়া রয়েছে।
গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাত পৌনে দুইটার দিকে নওয়াপাড়া ইউনিয়নের পাঁচবাড়িয়া স্কুলপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুল খালেকের (৭৩) বাড়িতে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ববিরোধের জেরে একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত অতর্কিত ওই বৃদ্ধের বসতবাড়িতে হামলা চালায়। হামলাকারীদের দেশীয় অস্ত্রের এলোপাতাড়ি কোপে মারাত্মক জখম হন আব্দুল খালেকের ছেলে মো. হেলাল হোসেন (২৮), পুত্রবধূ মোছা. শারমীন সুলতানা (২৪), ছোট ভাই মো. সেকেন্দার আলী (৬৫), ভাইপো মো. মাসুম বিল্লাহ (৪৬), বড় পুত্রবধূ মোছা. ইয়াসমিন আরা (৩৭) এবং শিশু সদস্য আফিয়া ইবনাত মালিহা (১৩)। পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়, দুর্বৃত্তরা ঘরের ভেতরে ঢুকে তাণ্ডব চালায় এবং আলমারি ভেঙে ব্যবসায়ের নগদ ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও প্রায় দেড় ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। ভুক্তভোগীদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে পালিয়ে যায়।
পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে আব্দুল খালেকের ছেলে আওয়াল হোসেন বলেন, ‘পরদিন সকালে আমরা থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ মামলা না নিয়ে শুধু একটি লিখিত অভিযোগ জমা রেখেছে। হামলার পর থেকে আসামিরা প্রকাশ্যে রামদা ও লাঠিসোটা নিয়ে মহড়া দিচ্ছে। তাদের ভয়ে আমরা কয়েক দিন ধরে বাড়ি ঢুকতে পারছি না।’
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত নিয়মিত মামলা করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও নিজেদের জানমালের নিরাপত্তায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছে।

আপনার মতামত লিখুন