সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করবে না উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানিয়েছেন, সাইবার সিকিউরিটি আইন কোনোভাবেই সংবাদমাধ্যম বা বাকস্বাধীনতা দমনের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না। মূলত সাইবার জগতের বিভিন্ন অপতথ্য, হেনস্তা ও গুজব থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্যই এ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে পেশাদার সাংবাদিকদের আগ্রহ ধরে রাখা জরুরি। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো জটিলতায় ভালো সাংবাদিকরা লেখা বন্ধ করে দিলে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় আসবে না। তাই গণমাধ্যমকে সুরক্ষিত রেখেই সাইবার জগতের শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদেরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়টি নাকচ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সাংবাদিক সমাজের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের মতামত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘মূল বিষয়টি হলো মানসিকতার। অতীতে ১৭ বছর ধরে ভিন্ন উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে জালের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা হতো। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সরকার এতে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কুৎসা রটানো ও হেনস্তার বিষয় তুলে ধরে তিনি জানান, সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে অনেকে চরম মানসিক চাপে ভোগেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অনেক সাংবাদিকের নামেও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ফলে সবাইকে সুরক্ষিত রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বৈঠকে সাংবাদিক নেতাদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, নিবন্ধিত কোনো পত্রিকা, টেলিভিশন বা পোর্টালে ভুলবশত আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব এসেছে। সরকার বিষয়টিকে ইতিবাচক ও নমনীয়ভাবে বিবেচনা করছে এবং আইনি ভাষায় তা যুক্ত করার পথ খুঁজছে।
সাংবাদিকদের সার্বিক দাবি ও পরামর্শগুলো দ্রুত লিখিত আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী, যাতে সরকার সেগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত কাজ শুরু করতে পারে।
\

রোববার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ অক্টোবর ২০২৬
সরকার গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণ করবে না উল্লেখ করে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী জানিয়েছেন, সাইবার সিকিউরিটি আইন কোনোভাবেই সংবাদমাধ্যম বা বাকস্বাধীনতা দমনের উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না। মূলত সাইবার জগতের বিভিন্ন অপতথ্য, হেনস্তা ও গুজব থেকে সাধারণ মানুষকে নিরাপদ রাখার জন্যই এ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে এক মতবিনিময় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, জনগণের কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে পেশাদার সাংবাদিকদের আগ্রহ ধরে রাখা জরুরি। অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো জটিলতায় ভালো সাংবাদিকরা লেখা বন্ধ করে দিলে নতুন প্রজন্ম এই পেশায় আসবে না। তাই গণমাধ্যমকে সুরক্ষিত রেখেই সাইবার জগতের শৃঙ্খলা বজায় রাখা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও সুরক্ষা নিশ্চিতে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদেরও আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
সাংবাদিকদের উদ্বেগের বিষয়টি নাকচ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাইবার সুরক্ষা আইন নিয়ে সাংবাদিক সমাজের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের মতামত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘মূল বিষয়টি হলো মানসিকতার। অতীতে ১৭ বছর ধরে ভিন্ন উদ্দেশ্যে গণমাধ্যমকে জালের মধ্যে আটকে রাখা হয়েছিল এবং বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করা হতো। তবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার গণমাধ্যমের পূর্ণ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী এবং সরকার এতে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে কুৎসা রটানো ও হেনস্তার বিষয় তুলে ধরে তিনি জানান, সাইবার বুলিংয়ের শিকার হয়ে অনেকে চরম মানসিক চাপে ভোগেন। সাধারণ মানুষের পাশাপাশি অনেক সাংবাদিকের নামেও অপতথ্য ছড়ানো হচ্ছে। ফলে সবাইকে সুরক্ষিত রাখা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
বৈঠকে সাংবাদিক নেতাদের একটি সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, নিবন্ধিত কোনো পত্রিকা, টেলিভিশন বা পোর্টালে ভুলবশত আইনের ব্যত্যয় ঘটলে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে আদালতের অনুমতি নেওয়ার একটি প্রস্তাব এসেছে। সরকার বিষয়টিকে ইতিবাচক ও নমনীয়ভাবে বিবেচনা করছে এবং আইনি ভাষায় তা যুক্ত করার পথ খুঁজছে।
সাংবাদিকদের সার্বিক দাবি ও পরামর্শগুলো দ্রুত লিখিত আকারে জমা দেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী, যাতে সরকার সেগুলো বাস্তবায়নে দ্রুত কাজ শুরু করতে পারে।
\

আপনার মতামত লিখুন