দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় স্তরের বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’-তে যোগ দিল দক্ষিণী তারকা থলপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম বা টিভিকে। শনিবার (৩ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে বিরোধী জোটের বৈঠকে টিভিকে-র শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকেই দলটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের অংশ করা হয়।
শুধু জোটে যোগ দেওয়াই নয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে ইন্ডি জোটের ঘোষিত কর্মসূচিতেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে বিজয়ের দল। আগামী ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন অভিযানে টিভিকে-র প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ুর প্রতিটি জেলায় কংগ্রেস, বাম এবং টিভিকে যৌথভাবে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানা গিয়েছে।
টিভিকে-র এই যোগদান এমন এক সময়ে, যখন বিরোধী জোটের অন্দরে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আম আদমি পার্টি ও ডিএমকে সম্প্রতি জোট থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডি জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও দুই দলের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
পাঞ্জাব, গোয়া ও গুজরাতে আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকায় আপের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে-র সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। কংগ্রেসের বিজয়ের দলের দিকে ঝোঁকার বিষয়টি ডিএমকে-র অসন্তোষের অন্যতম কারণ বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে থলপতি বিজয়ের দলকে বিরোধী জোটে অন্তর্ভুক্তি ইন্ডি শিবিরে নতুন রাজনৈতিক শক্তি যোগ করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগে জোটের বাইরে থাকা নবীন পট্টনায়েক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তেমন সাড়া মেলেনি। ফলে দক্ষিণ ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্তি বিরোধী শিবিরের কাছে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
তবে টিভিকে জোটে যোগ দিলেও থলপতি বিজয় নিজে এখনও কোনও পৃথক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেননি। ফলে ৬ অক্টোবরের কর্মসূচি বা পরবর্তী বিক্ষোভে বিজয়ের সরাসরি উপস্থিতি থাকবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তার দলের আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডি জোটে যোগদানের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে বিজয়ের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
/

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
দীর্ঘদিনের জল্পনার অবসান। আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় স্তরের বিরোধী জোট ‘ইন্ডি’-তে যোগ দিল দক্ষিণী তারকা থলপতি বিজয়ের দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগম বা টিভিকে। শনিবার (৩ অক্টোবর) চেন্নাইয়ে বিরোধী জোটের বৈঠকে টিভিকে-র শীর্ষ নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। সেই বৈঠকেই দলটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের অংশ করা হয়।
শুধু জোটে যোগ দেওয়াই নয়, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে ইন্ডি জোটের ঘোষিত কর্মসূচিতেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেবে বিজয়ের দল। আগামী ৬ অক্টোবর নির্বাচন কমিশন অভিযানে টিভিকে-র প্রতিনিধিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। পাশাপাশি তামিলনাড়ুর প্রতিটি জেলায় কংগ্রেস, বাম এবং টিভিকে যৌথভাবে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করবে বলেও জানা গিয়েছে।
টিভিকে-র এই যোগদান এমন এক সময়ে, যখন বিরোধী জোটের অন্দরে কিছুটা টানাপোড়েন তৈরি হয়েছে। আম আদমি পার্টি ও ডিএমকে সম্প্রতি জোট থেকে দূরত্ব বাড়িয়েছে। ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে ইন্ডি জোটের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকেও দুই দলের কোনও প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না।
পাঞ্জাব, গোয়া ও গুজরাতে আসন্ন নির্বাচনে কংগ্রেসের সঙ্গে সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ের সম্ভাবনা থাকায় আপের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। অন্যদিকে, তামিলনাড়ুর সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সমীকরণে কংগ্রেসের সঙ্গে ডিএমকে-র সম্পর্কেও টানাপোড়েন দেখা দিয়েছে। কংগ্রেসের বিজয়ের দলের দিকে ঝোঁকার বিষয়টি ডিএমকে-র অসন্তোষের অন্যতম কারণ বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা রয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে থলপতি বিজয়ের দলকে বিরোধী জোটে অন্তর্ভুক্তি ইন্ডি শিবিরে নতুন রাজনৈতিক শক্তি যোগ করতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। এর আগে জোটের বাইরে থাকা নবীন পট্টনায়েক এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও তেমন সাড়া মেলেনি। ফলে দক্ষিণ ভারতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলের অন্তর্ভুক্তি বিরোধী শিবিরের কাছে নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ।
তবে টিভিকে জোটে যোগ দিলেও থলপতি বিজয় নিজে এখনও কোনও পৃথক আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেননি। ফলে ৬ অক্টোবরের কর্মসূচি বা পরবর্তী বিক্ষোভে বিজয়ের সরাসরি উপস্থিতি থাকবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে তার দলের আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্ডি জোটে যোগদানের মধ্য দিয়ে জাতীয় রাজনীতিতে বিজয়ের রাজনৈতিক অবস্থান আরও স্পষ্ট হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
/

আপনার মতামত লিখুন