কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এতে দলটির নির্ধারিত মিছিল ও সমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ সেখানে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ ও এনসিপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি অভিযোগ করে বলেন, ‘রোববার লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে আমাদের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। রাতে কুমারখালী থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ কোনো সহযোগিতা করেনি। হামলা ও মামলা না নেওয়ার প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বলছে নিরাপত্তার কারণে মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। অবরুদ্ধ করে রাখা কোনো নিরাপত্তা হতে পারে না। আমরা পুলিশের এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই।’
এনসিপির জেলা শাখার সদস্য সচিব সুলতান মারুফ তালহা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল। ঘরের ভেতর অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ হয় না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে, সেখান থেকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত এনসিপির নেতাকর্মীরা তাদের মিছিল ও সমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করেন। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাঠের ভেতর থেকে নেতাকর্মীদের একে একে বের হতে দেওয়া হয়।
এনসিপির অভিযোগ প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের মাঠের ভেতরেই সমাবেশ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের রাস্তায় বের হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।’
এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও তাঁর বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর চালানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় লালন মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে বাধা দিয়েছে পুলিশ। এতে দলটির নির্ধারিত মিছিল ও সমাবেশ পণ্ড হয়ে গেছে।
সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেল ৫টার দিকে কুষ্টিয়া পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে এনসিপির নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করার প্রস্তুতি নিলে পুলিশ সেখানে বাধা দেয়। এ সময় পুলিশ ও এনসিপি নেতাকর্মীদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে।
এনসিপির কুষ্টিয়া জেলা শাখার আহ্বায়ক জান্নাতুল ফেরদৌস টনি অভিযোগ করে বলেন, ‘রোববার লালন সাঁইয়ের আখড়াবাড়িতে আমাদের মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। রাতে কুমারখালী থানায় মামলা করতে গেলেও পুলিশ কোনো সহযোগিতা করেনি। হামলা ও মামলা না নেওয়ার প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু পুলিশ কোনো যুক্তিসংগত কারণ ছাড়াই কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘পুলিশ বলছে নিরাপত্তার কারণে মিছিল করতে দেওয়া হচ্ছে না। অবরুদ্ধ করে রাখা কোনো নিরাপত্তা হতে পারে না। আমরা পুলিশের এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাই।’
এনসিপির জেলা শাখার সদস্য সচিব সুলতান মারুফ তালহা বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচিতে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে রেখেছিল। ঘরের ভেতর অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ সমাবেশ হয় না। বিষয়টি কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে জানানো হয়েছে, সেখান থেকে সিদ্ধান্ত অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে প্রায় দেড় ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পর শেষ পর্যন্ত এনসিপির নেতাকর্মীরা তাদের মিছিল ও সমাবেশ স্থগিত ঘোষণা করেন। পরে প্রশাসনের উপস্থিতিতে মাঠের ভেতর থেকে নেতাকর্মীদের একে একে বের হতে দেওয়া হয়।
এনসিপির অভিযোগ প্রসঙ্গে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন বলেন, ‘নিরাপত্তাজনিত কারণে তাদের রাস্তায় বের হয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করতে দেওয়া হয়নি। তাদের মাঠের ভেতরেই সমাবেশ করার অনুরোধ করা হয়েছিল। নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের রাস্তায় বের হওয়ার কোনো সুযোগ ছিল না।’
এর আগে রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যা সোয়া ৭টার দিকে কুমারখালী উপজেলার ছেঁউড়িয়ায় লালন সাঁইয়ের মাজার প্রাঙ্গণে নাসীরুদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর হামলা ও তাঁর বহনকারী গাড়ি ভাঙচুর চালানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

আপনার মতামত লিখুন