সংবাদ

রাহুলের ‘সত্যাগ্রহ’: দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও অধিকারের আন্দোলন এক মানচিত্রে


দীপক মুখার্জী, কলকাতা
দীপক মুখার্জী, কলকাতা
প্রকাশ: ৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৭ এএম

রাহুলের ‘সত্যাগ্রহ’: দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও অধিকারের আন্দোলন এক মানচিত্রে

দেশজুড়ে চলা বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের জন্য একটি অভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

'সত্যাগ্রহ' নামের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে ওঠা আন্দোলন এবং মানুষের নানা সমস্যার কথা এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হবে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের আন্দোলন ও রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই এই বিশেষ অনলাইন উদ্যোগের ঘোষণা এসেছে।
​নতুন এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা দাবিতে সাধারণ মানুষের চলমান আন্দোলনগুলোকে এক সূত্রে গেঁথে তাদের মধ্যে শক্তিশালী যোগাযোগের মাধ্যম গড়ে তোলাই এই প্ল্যাটফর্মের আসল কাজ।
তিনি বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে জনগণের সংকট ও বিভিন্ন দাবির পাশে এসে দাঁড়ানো তার প্রধান দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
​কীভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, অনলাইন প্রক্রিয়ায় যেকোনো নাগরিক বা প্রতিবাদী গোষ্ঠী অতি সহজেই মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে তাদের নাম, সংগঠনের তথ্য ও আন্দোলনের মূল দাবি জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা হলে তা একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল ম্যাপ বা মানচিত্রে সরাসরি প্রদর্শিত হবে, যার ফলে দেশের কোন অঞ্চলে কী ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট বা নাগরিক আন্দোলন চলছে, তা এক নজরে সবার সামনে ফুটে উঠবে।
​অনলাইন প্রক্রিয়ার সুফলের কথা স্মরণ করিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, এই প্ল্যাটফর্মে কৃষক, শিক্ষার্থী, নারী, আদিবাসী, দলিত, ওবিসি এবং তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি কিংবা জমির অধিকার নিয়ে গড়ে ওঠা স্থানীয় প্রতিবাদগুলো যুক্ত হতে পারবে।
একই ধরনের দাবিতে দেশের অন্যান্য প্রান্তে চলা সংগ্রামের সঙ্গে স্থানীয় আন্দোলনগুলোর সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সেতু তৈরি করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।
​সংগৃহীত তথ্য কেবল ওয়েবসাইটে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না উল্লেখ করে বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট করেন, আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের প্রয়োজন অনুসারে তাঁদের মূল দাবিগুলো সরাসরি দেশটির জাতীয় সংসদে, সরকারি চিঠিপত্র আদান-প্রদানে বা অন্যান্য রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে।
মহাত্মা গান্ধীর সত্য ও অহিংসার আন্দোলন চেতনাকে ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরে সব ধরনের প্রতিবাদী কণ্ঠকে এক সুতোয় বাঁধার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬


রাহুলের ‘সত্যাগ্রহ’: দেশজুড়ে প্রতিবাদ ও অধিকারের আন্দোলন এক মানচিত্রে

প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে চলা বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নাগরিক অধিকার আন্দোলনের জন্য একটি অভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন ভারতের লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী।

'সত্যাগ্রহ' নামের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে বিচ্ছিন্নভাবে গড়ে ওঠা আন্দোলন এবং মানুষের নানা সমস্যার কথা এক প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করা হবে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধী জোটের আন্দোলন ও রাজনৈতিক উত্তাপের মধ্যেই এই বিশেষ অনলাইন উদ্যোগের ঘোষণা এসেছে।
​নতুন এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ার বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী জানান, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা দাবিতে সাধারণ মানুষের চলমান আন্দোলনগুলোকে এক সূত্রে গেঁথে তাদের মধ্যে শক্তিশালী যোগাযোগের মাধ্যম গড়ে তোলাই এই প্ল্যাটফর্মের আসল কাজ।
তিনি বলেন, বিরোধী দলনেতা হিসেবে জনগণের সংকট ও বিভিন্ন দাবির পাশে এসে দাঁড়ানো তার প্রধান দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
​কীভাবে কাজ করবে এই প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবস্থা, তার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, অনলাইন প্রক্রিয়ায় যেকোনো নাগরিক বা প্রতিবাদী গোষ্ঠী অতি সহজেই মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে তাদের নাম, সংগঠনের তথ্য ও আন্দোলনের মূল দাবি জমা দিতে পারবেন। তথ্য জমা হলে তা একটি ইন্টারঅ্যাক্টিভ ডিজিটাল ম্যাপ বা মানচিত্রে সরাসরি প্রদর্শিত হবে, যার ফলে দেশের কোন অঞ্চলে কী ধরনের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংকট বা নাগরিক আন্দোলন চলছে, তা এক নজরে সবার সামনে ফুটে উঠবে।
​অনলাইন প্রক্রিয়ার সুফলের কথা স্মরণ করিয়ে রাহুল গান্ধী বলেন, এই প্ল্যাটফর্মে কৃষক, শিক্ষার্থী, নারী, আদিবাসী, দলিত, ওবিসি এবং তরুণ প্রজন্মের শিক্ষা, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি কিংবা জমির অধিকার নিয়ে গড়ে ওঠা স্থানীয় প্রতিবাদগুলো যুক্ত হতে পারবে।
একই ধরনের দাবিতে দেশের অন্যান্য প্রান্তে চলা সংগ্রামের সঙ্গে স্থানীয় আন্দোলনগুলোর সরাসরি পারস্পরিক যোগাযোগ ও সেতু তৈরি করার চেষ্টা করা হবে বলে তিনি জানান।
​সংগৃহীত তথ্য কেবল ওয়েবসাইটে সীমাবদ্ধ রাখা হবে না উল্লেখ করে বিরোধী দলনেতা স্পষ্ট করেন, আন্দোলনকারী প্রতিনিধিদের প্রয়োজন অনুসারে তাঁদের মূল দাবিগুলো সরাসরি দেশটির জাতীয় সংসদে, সরকারি চিঠিপত্র আদান-প্রদানে বা অন্যান্য রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে জাতীয় পর্যায়ে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরা হবে।
মহাত্মা গান্ধীর সত্য ও অহিংসার আন্দোলন চেতনাকে ডিজিটাল মাধ্যমে তুলে ধরে সব ধরনের প্রতিবাদী কণ্ঠকে এক সুতোয় বাঁধার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।


সংবাদ

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, সংবাদ ডিজিটাল
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত