‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’–এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইলিয়াস হোসাইনকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে পুলিশ প্রশাসনের এক আদেশে তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারে এক ব্যবসায়ীর মামলার তদন্তে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করে মন্তব্য করেন এএসআই ইলিয়াস। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব–হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।” সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তি গোপনে তা মুঠোফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নিয়মিত অপকর্ম, অনিয়ম ও অর্থ দাবি করে আসছিলেন অভিযুক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তা।
প্রত্যাহারের বিষয়ে চুনারুঘাট থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তাকে রাতেই প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. মাফিউর রহমান জানান, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে; তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
/

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
‘আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই’–এমন বিতর্কিত মন্তব্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া চুনারুঘাট থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মো. ইলিয়াস হোসাইনকে ক্লোজড বা প্রত্যাহার করা হয়েছে। সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে পুলিশ প্রশাসনের এক আদেশে তাকে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।
সম্প্রতি চুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও বাজারে এক ব্যবসায়ীর মামলার তদন্তে গিয়ে উপস্থিত লোকজনের সামনে প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে যৌক্তিক দাবি করে মন্তব্য করেন এএসআই ইলিয়াস। ভিডিওতে তাকে বলতে শোনা যায়, “কিছু রটে দেখেই তো কিছু বটে! কথা বুঝছ না? আমি যদি বলি, আমি পুলিশের দারোগা, আমি ঘুষ খাই না, আমি বায়তুল মোকাররমের ইমাম সাহেব–হইব নাকি? আমি পোশাক লাগিয়েছি ঘুষের টাকা দিয়ে, ঘুষ খাওয়ার জন্যই।” সেখানে উপস্থিত এক ব্যক্তি গোপনে তা মুঠোফোনে ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করলে দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নাম ভাঙিয়ে এলাকায় নিয়মিত অপকর্ম, অনিয়ম ও অর্থ দাবি করে আসছিলেন অভিযুক্ত এই পুলিশ কর্মকর্তা।
প্রত্যাহারের বিষয়ে চুনারুঘাট থানার কর্মকর্তা ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানার পরপরই তাকে রাতেই প্রত্যাহার করে হবিগঞ্জ পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়েছে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। সহকারী পুলিশ সুপার (মাধবপুর সার্কেল) মো. মাফিউর রহমান জানান, এ ঘটনার প্রেক্ষিতে বিভাগীয় তদন্ত চলছে; তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
/

আপনার মতামত লিখুন