চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের পাহাড়চান্দা আশ্রয়ণ পাড়া সড়কের বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ৩৫ বছরেও সড়কটি পাকা না হওয়ায় বর্ষায় হাঁটুসমান কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি মাড়িয়ে চলতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের মাত্র কয়েক শ মিটার ইট বিছানো হলেও বাকিটা কাঁচাই রয়ে গেছে। সড়কটি দিয়ে পাহাড়চান্দা, হানিফপাড়াসহ ৮টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। চরম বিপাকে পড়েছে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থীও; অনেকেই জুতা হাতে ও কাপড় গুটিয়ে স্কুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় সড়কের কারণে উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে পারছেন না স্থানীয় কৃষকেরা। এতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ।
পুটিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, ২০২২ সালে সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, দ্রুত সড়ক সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার পুটিবিলা ইউনিয়নের পাহাড়চান্দা আশ্রয়ণ পাড়া সড়কের বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রায় ১০ হাজার মানুষ। ৩৫ বছরেও সড়কটি পাকা না হওয়ায় বর্ষায় হাঁটুসমান কাদা আর শুষ্ক মৌসুমে ধুলাবালি মাড়িয়ে চলতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সড়কের মাত্র কয়েক শ মিটার ইট বিছানো হলেও বাকিটা কাঁচাই রয়ে গেছে। সড়কটি দিয়ে পাহাড়চান্দা, হানিফপাড়াসহ ৮টি গ্রামের মানুষ যাতায়াত করেন। বর্ষায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় জরুরি রোগী হাসপাতালে নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে। চরম বিপাকে পড়েছে ৮টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েক হাজার শিক্ষার্থীও; অনেকেই জুতা হাতে ও কাপড় গুটিয়ে স্কুলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
গ্রামটি কৃষিনির্ভর হওয়ায় সড়কের কারণে উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে নিতে পারছেন না স্থানীয় কৃষকেরা। এতে গুনতে হচ্ছে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ।
পুটিবিলা ইউপি চেয়ারম্যান ইকবাল হোসেন জানান, ২০২২ সালে সড়কটি এলজিইডির তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং শিগগিরই কাজ শুরুর আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, সংস্কারের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে, বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু হবে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, দ্রুত সড়ক সংস্কারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন